০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
শুল্কের ধাক্কায় চীনের রপ্তানিতে ধসের কারণে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। কিন্তু বাস্তবতা হল, বাংলাদেশের রপ্তানিও কমেছে।
এখন সব মিলিয়ে বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য রপ্তানিতে শুল্ক গুনতে হবে ৩৪ শতাংশ।
প্রথম চালানে ৫৬ হাজার ৯৫৯ টন গম নিয়ে ‘নোর্স স্ট্রাইড’ নামের একটি জাহাজ শনিবার চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছে।
বাংলাদেশের প্রতিযোগী অনেক দেশের ক্ষেত্রে মার্কিন শুল্কহার বেশি হলেও তাতে খুশি হওয়ার খুব বেশি সুযোগ দেখছেন না অর্থনীতিবিদ রাজ্জাক।
বাণিজ্য ও শুল্ক নিয়ে দ্বন্দ্বে ভূরাজনৈতিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে; চীন ঠেকাতে ভারতকে যুক্তরাষ্ট্রের দরকার, মত অনেক মার্কিন বিশ্লেষক ও পর্যবেক্ষকের।
চীন ও ভারতকে সঙ্গে নিয়ে ত্রিদেশীয় আলোচনা শিগগিরই শুরুরও আশা করছে মস্কো।
প্রশ্ন উঠেছে, একের পর যান্ত্রিক গোলযোগের পেছনে কি রক্ষণাবেক্ষণের সক্ষমতার ঘাটতি? নাকি নাশকতা?
উপদেষ্টা বলেন, “নিজস্ব অর্থনীতির সক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে–এমন কোনো ইস্যুতে আমরা কোনো কিছু করিনি।”