২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, তেহরান যদি আলোচনার টেবিলে ফিরে না আসে, আগামী সপ্তাহে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র, সেতু—সবই নিশানা করা হবে।
এই ঘটনার পর ইরান যুদ্ধ অবসানের প্রাথমিক চুক্তিটি টিকবে কি না, তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ইরান যুদ্ধের প্রভাবে হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ কমেছে প্রায় ১০০ কোটি ব্যারেল। একই সময়ে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম ছাড়িয়েছে ১০০ ডলার। এর মাঝেই আয় বেড়েছে সৌদি আরামকোর
ভিয়েতনাম থেকে ইরান—ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি কি তবে অনিবার্য? যুদ্ধ মানেই কি শুধু সামরিক বিজয়? ইরান যুদ্ধে ডনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি ঘোষণা আমেরিকার সামরিক শ্রেষ্ঠত্ব আর কৌশলগত সীমাবদ্ধতা নিয়ে নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছে।
যুদ্ধ কি অনিবার্য, নাকি আলোচনার টেবিলই শেষ কথা বলবে?
“এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা হলে ভারত, জাপান ও মালয়েশিয়ার মত দেশগুলো ইরানের তেল কিনতে পারবে, আর চীনকে ‘বাজারমূল্য’ দিতে বাধ্য করা যাবে।”
হুথি বিদ্রোহীদের উসকে দিয়ে লোহিত সাগরের এই বাণিজ্যপথে যেকোনো সময় প্রতিবন্ধকতা তৈরির সক্ষমতা তেহরানের রয়েছে, বলছে টেলিগ্রাফের বিশ্লেষণ।
বাহ্যিক আক্রমণ ইরানের অভ্যন্তরে শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিদ্যমান অসন্তোষকে পুরোপুরি কাজে লাগাতে পারেনি। বরং অনেক ক্ষেত্রে সরকার জাতীয় প্রতিরোধের ভাষা ব্যবহার করে জনগণের সমর্থন সংগঠিত করার সুযোগ পেয়েছে।