২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
শব্দচয়ন যখন নিছক ভাষা থাকে না, হয়ে ওঠে বিশেষ কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের বাহক, তখন আমাদের জাতীয় পরিচয় সংকটের মুখে পড়ে।
ভারতের প্রতি অন্তর্বর্তী সরকারের ক্ষোভের কিছু যুক্তি আছে। কিন্তু ভারতকে শত্রুরাষ্ট্র সাব্যস্ত করে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ঘিরে নেওয়া আবেগী সিদ্ধান্তের চড়া মূল্য দিতে হবে বাংলাদেশের ক্রিকেটকেই।
রাষ্ট্র যদি ধর্ম, ভাষা, জাতি, সম্পদ বা অন্য কোনো সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে চলে, তবে তা পরিবার হতে ব্যর্থ হয় এবং জঙ্গলের যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়।
জাতিরাষ্ট্র একদিন ছিল মুক্তির প্রতিশ্রুতি, আজ তা হয়ে উঠেছে ভয় ও বিভাজনের কারাগার। ইসরায়েল থেকে ভারত, বাংলাদেশ—সব জায়গাতেই দেখা যায় একই ট্র্যাজেডি: মানুষ নিজেকে মুক্ত নয়, গোষ্ঠীর কাছে বন্দী করে তুলেছে নিজেকেই।
দক্ষিণ এশিয়ার অন্য প্রতিবেশীদের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বহু ক্ষেত্রে অবিশ্বাস ও কর্তৃত্ববাদী মনোভাবের কারণে প্রশ্নবিদ্ধ।
প্রতুলের গানের যে সমাজচেতনা, যে রাজনীতিমুখিনতা তা নিশ্চিতভাবেই একটা সমাজ বদলের লড়াইয়ের জন্য প্রাণসঞ্চারী। বাংলাভূমে এমন কোনো আন্দোলন আছে যেখানে তার ‘ডিঙা ভাসাও সাগরে সাথীরে...’ গানটি সোচ্চারে উচ্চারিত হয় না?
রাজনৈতিক দলগুলো এই সংস্কার প্রস্তাব গ্রহণ না করলে এটা হবে এক অর্থহীন বিনিয়োগ। সংস্কার বস্তুটি ‘তিক্ত ওষুধ’ নয়, যা অনিচ্ছা সত্ত্বেও, প্রাণের দায়ে, গলাধঃকরণ করতেই হয়।
“শেখ মুজিবুর রহমানের অবদানকে কেউ অস্বীকার করে না। জাতির পিতা নিয়ে সিরিয়াস বিতর্ক আছে। জাতি বিভক্ত।”