৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
“হঠাৎ শব্দে আশপাশ কেঁপে উঠে এবং দোকানের সামনে স্ল্যাবে ফাটল ধরে।”
সেলিমের বাবা-মায়ের অবস্থাও ‘আশঙ্কাজনক’।
একই পরিবারের তিনজন দগ্ধ হয়েছেন।
দগ্ধদের মধ্যে তিনজনকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়েছে।
“ঐর্দিকার শরীরের ২০ শতাংশ, তূর্যের ১০ শতাংশ, কুমোদ চন্দ্র নাথ ও তার স্ত্রী সবিতা রানী নাথের দুই শতাংশ পুড়ে গেছে।”
এই তিন ভাইবোনের বাবা ও মা এখনো বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন। তাদের অবস্থাও ভালো নয়।
“তাদের সবার অবস্থা আশংকাজনক।"
“অসচেতনতা, অবহেলার পাশাপাশি কারিগরি ত্রুটিও দায়ী। ঘরে গ্যাস জমে ছিল, দরজা-জানালা বন্ধ কিন্তু তারা খেয়াল না করে ম্যাচের কাঠি জ্বালিয়ে দিয়েছেন।”