০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
এমন বাস্তবতায় এ সরকার ‘নিরপেক্ষভাবে’ নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারবেন কি না সেই প্রশ্ন ওঠার কথাও বলেন তিনি।
জুলাই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে অর্জিত বিজয়কে সুসংহত করতে হবে।
তারা জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতি বিশেষ করে ন্যায়বিচার, জবাবদিহি এবং ভুক্তভোগীদের পুনর্বাসন বিষয়ক অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করেন।
জুলাই সনদে রাষ্ট্রীয় সংস্কারের যে ৮৪ দফা, তার মধ্যে ৪৭টি বিষয়কে ‘সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে সংস্কার’ এবং বাকি ৩৭টি বিষয়কে ‘আইন/অধ্যাদেশ, বিধি ও নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে সংস্কার’ হিসাবে চিহ্নিত করেছে ঐকমত্য কমিশন।
কয়েকটি দল স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে না যাওয়ার ইংগিত দিয়েছে।
এই সনদ পূর্ণাঙ্গভাবে সংবিধানে ‘তফসিল হিসেবে বা যথোপযুক্তভাবে’ সংযুক্ত করার অঙ্গীকার করবে দলগুলো।
আগের শাসকের আমলে মানবাধিকার কর্মীদের কাজের জন্য বাংলাদেশে অনুকূল পরিবেশ ছিল না, সংবাদ সম্মেলনে বলেন সংগঠনটির এক নেতা।
কমিশন ৩০টি দলের কাছে মতামত চেয়েছিল। বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে ২৬টি দল মতামত জমা দেয়।