০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩
কারখানাগুলোর সক্ষমতা ৩০ লাখ টন, কিন্তু উৎপাদন মাত্র পাঁচ থেকে আট লাখ টন! কেন এই বিশাল ব্যবধান?
ডিলারদের দাবি, তারা ডিও (ডেলিভারি অর্ডার) অনুযায়ী বৈধভাবে সার কিনেছেন এবং নিয়ম মেনেই তা নামানো হচ্ছিল।
মঙ্গলবার বিকাল থেকে সার উৎপাদন শুরু হয় বলে যমুনা সার কারখানার ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপক দেলোয়ার হোসেন জানান।
একটি ট্রাক ভর্তি ৪০০ বস্তা ইউরিয়া সার নেওয়া হচ্ছিল এক ব্যবসায়ীর দোকানে।
ট্রলারটিতে সারের কোনো মালিক বা বৈধ কাগজ পাওয়া যায়নি। কাউকে গ্রেপ্তার করাও সম্ভব হয়নি।
“শাকসবজি সংরক্ষণে ১০০ মিনি কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন করা হচ্ছে,” বলেন তিনি।
দেশি বিদেশি চার প্রতিষ্ঠান থেকে এ সার কিনতে খরচ হবে ৭০৬ কোটি টাকা।
সার কিনতে ব্যয় হবে ৬৩৭ কোটি টাকা।