০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নিহতদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি তা নিশ্চিত হওয়া না গেলেও, আহত ৫ জন স্থানীয় দুটি হাসপাতালে ভর্তি আছে বলে তথ্য দিয়েছে একটি ভারতীয় সংবাদমাধ্যম।
“হোটেল কর্তৃপক্ষ পলাতক থাকায় ধারণা করা হচ্ছে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।”
মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা করতে হবে, বলেন এক পুলিশ কর্মকর্তা।
হোটেল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন সময় ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া-শব্দ পাননি। পরে পুলিশ এসে কক্ষের দরজা ভেঙে তার মরদেহ উদ্ধার করে।
হোটেল কর্তৃপক্ষ তার বিরুদ্ধে চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা করলে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।
১১ তলা বাণিজ্যিক ভবনটির ছাদে লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও সহায়তা করে।
“অভিযান শেষ করে থানায় আসার পর শুনি, বিক্ষুব্ধ জনতা হোটেলে ভাঙচুর চালিয়ে আসবাবপত্রে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। “
নিহত চার পুরুষের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।