২৪ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
হেফাজতে মৃত্যুর অধিকাংশ ঘটনাকেই ‘হার্ট অ্যাটাক’ বলে চালিয়ে দেওয়া হয়। অর্থাৎ গল্পগুলো ক্রসফায়ার বা কথিত বন্দুকযুদ্ধে কারও মৃত্যুর পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গৎবাঁধা বিবৃতির মতো।
শুধু গত বছরের অভ্যুত্থানেই নয়, শেখ হাসিনার ১৫ বছরেরও বেশি সময়ের শাসনকালে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের ওপর যে নিপীড়ন ঘটেছে, শুধু ক্ষমা চাইলেই কি ওইসব অপরাধের দায়মুক্তি হয়?
“আইনের দৃষ্টিতে পুলিশ, আর্মি, সিভিলিয়ান বলে কোনো জিনিস নেই। আইন সব সময় ব্যক্তিকে বিবেচনা করবে,” বলেন তিনি।
কে কোথায় কোন ‘মাফিয়া বাহিনী’ দ্বারা আশ্রিত বা পুনর্বাসিত, এসব দাবি-প্রচারণা ধর্ষকের অপরাধকে হালকা করে। ধর্ষককে ধর্ষক হিসেবে দেখে, সমাজকে এর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে, প্রশাসনকে দায়িত্বশীল হতে হবে।
শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশে এ ধরনের ন্যক্কারজনক হামলা জুলাই-অগাস্টের গণঅভ্যুত্থানের প্রতি অবমাননা ও তাদের স্বপ্নের মুক্ত বাংলাদেশের ওপর আঘাতের সামিল। এ ধরনের হামলাকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
“অভিযানের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে ওঠা নির্যাতনে মৃত্যুর অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানাচ্ছে এমএসএফ।”
উপদেষ্টা পরিষদ ২৫ সদস্যের হলে ভালো হতো— যাতে করে সবগুলো বড় মন্ত্রণালয়ে অন্তত একজন করে দায়িত্ব পালন করতে পারেন।
“এখন যে সরকার হবে, সে সরকার মানুষকে রক্ষা করবে,” বলেন তিনি।