এআই’তে আগ্রহী জাপান, তবে আগে প্রাইভেসি ও সাইবার নিরাপত্তা
সরকারিভাবে চ্যাটজিপিটির মতো চ্যাটবট গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনায় নেবে জাপান। এরই মধ্যে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন ওপেনএআই সিইও স্যাম অল্টম্যান।
প্রাইভেসি ও সাইবার নিরাপত্তার বিভিন্ন ঝুঁকির সমাধান হলে সরকারিভাবে ওপেনএআই’র চ্যাটজিপিটির মতো চ্যাটবট গ্রহণের বিষয়টি বিবেচনায় নেবে জাপান। এরই মধ্যে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন ওপেনএআই সিইও স্যাম অল্টম্যানও।
সোমবার সরকারীভাবে চ্যাটবট গ্রহণের কথা জানান দেশটির চিফ ক্যাবিনেট সেত্রেটারি ও শীর্ষ সরকারী মুখপাত্র হিরোকাজু মাতসুনো। প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার সঙ্গে অল্টম্যানের সাক্ষাতের কিছু সময় আগে এই মন্তব্য করেন তিনি। সাক্ষাতে অল্টম্যান বলেন, তার কোম্পানি দেশটিতে অফিস খোলার বিষয়টি বিবেচনায় রেখেছে।
“আমরা জাপানের লোকজনের জন্য চমৎকার কিছু তৈরির প্রত্যাশা করছি, যেখানে আমরা মডেলগুলোকে জাপানি ভাষা ও সংস্কৃতির জন্য তুলনামূলক ভালোভাবে গড়ে তুলব।” --কিশিদার সঙ্গে সাক্ষাতের পর সংবাদকর্মীদের বলেন অল্টম্যান।
মাইক্রোসফট সমর্থিত সফটওয়্যার কোম্পানি ওপেনএআই’র তৈরি চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি’র ওপর ইতালির অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে সংবাদ সম্মেলনে মাতসুনো বলেন, জাপান অন্যান্য দেশের কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত আছে।
তিনি আরও বলেন, কীভাবে ডেটা লঙ্ঘনের মতো বিষয়গুলোর মোকাবেলা করা হবে সেটি মূল্যায়নের পর সরকারী কর্মীদের কাজের চাপ কমানোর উদ্দেশ্যে এআই ব্যবস্থা চালুর সম্ভাবনা নিয়ে পর্যবেক্ষণ চালিয়ে যাবে জাপান।
চ্যাটজিপিটি’র ওপর ইতালির নিষেধাজ্ঞা অন্যান্য ইউরোপীয় দেশকেও এমন পরিমাপক ব্যবস্থা চালু নিয়ে গবেষণা চালানোর অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে। গত সপ্তাহে দেশটির নিয়ন্ত্রকদের কাছে প্রাইভেসি লঙ্ঘনজনিত শঙ্কার প্রতিকার উপস্থাপন করেছে ওপেনএআই।
গত সপ্তাহে ‘আওয়ার অ্যাপ্রোচ টু এআই সেইফটি’ শীর্ষক এক ব্লগ পোস্টে স্যান ফ্রানসিসকো ভিত্তিক কোম্পানিটি বলেছে, তারা মানুষের জন্য সত্যিকারের ঝুঁকি হিসেবে বিবেচিত বিভিন্ন আচরণের বিপরীতে বিভিন্ন সূক্ষ্ম নীতি’ তৈরির পেছনে কাজ করছে।
ওপেনএআই’র প্রধান নির্বাহী অল্টম্যান বলেন,‘এই প্রযুক্তির বিভিন্ন ইতিবাচক দিক ও কীভাবে এর নেতিবাচক দিকগুলো মোকাবেলা করা যায়, সে সম্পর্কে জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি।
