১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

আধুনিক প্রযুক্তি ও ধর্মের মেলবন্ধনে ভ্যাটিকানে এল এআই অনুবাদক

এখন থেকে সেইন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকায় আসা দর্শনার্থীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সাহায্যে সরাসরি বা লাইভ অনুবাদের সুবিধা পাবেন।

আধুনিক প্রযুক্তি ও ধর্মের মেলবন্ধনে ভ্যাটিকানে এল এআই অনুবাদক
ভ্যাটিকানে আসা দর্শনার্থীরা কিউআর কোড স্ক্যান করেই অনুবাদের সুবিধা পাবেন। ছবি: রয়টার্স

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 18 Feb 2026, 02:38 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:58 PM

ধর্মীয় উপাসনা ও আধুনিক প্রযুক্তির এক অনন্য মেলবন্ধন ঘটাল ভ্যাটিকান সিটি। এখন থেকে সেইন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকায় আসা দর্শনার্থীরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের সাহায্যে সরাসরি বা লাইভ অনুবাদের সুবিধা পাবেন।

প্রযুক্তি সাইট এনগ্যাজেট লিখেছে, ধর্মীয় প্রার্থনায় অংশগ্রহণকারীদের জন্য এখন এআইচালিত সরাসরি বা লাইভ অনুবাদের ব্যবস্থা করছে ভ্যাটিকান সিটি।

‘ট্রান্সলেটেড’ নামের এক ভাষা সেবা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগ হয়ে ৬০টি ভাষায় এ লাইভ অনুবাদের সুবিধা চালু করেছে অতিপরিচিত এ চার্চ।

এক বিবৃতিতে সেইন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকার আর্চপ্রিস্ট কার্ডিনাল মাউরো গাম্বেত্তি বলেছেন, “সেইন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকা শত শত বছর ধরে পৃথিবীর প্রতিটি জাতি ও ভাষার মানুষদের স্বাগত জানিয়ে আসছে। ধর্মীয় প্রার্থনার বাণীগুলো যাতে সবাই বুঝতে পারেন সেই লক্ষ্যে এ প্রযুক্তিগত সুবিধা চালুর মাধ্যমে আমরা ক্যাথলিক চার্চের সেই বিশ্বজনীন লক্ষ্যরই সেবা করতে চাই।

“আমি ট্রান্সলেটেড-এর সঙ্গে এ সহযোগিতায় অত্যন্ত আনন্দিত। এই শতবর্ষে আমরা বিচক্ষণতার সঙ্গে ভবিষ্যতের দিকে তাকাচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি, মানুষের উদ্ভাবনী শক্তি যখন বিশ্বাসের মাধ্যমে পরিচালিত হয় তখন তা সবার মধ্যে মেলবন্ধন তৈরির শক্তিশালী এক মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে।”

ভ্যাটিকানে আসা দর্শনার্থীরা কিউআর কোড স্ক্যান করেই অনুবাদের সুবিধা পাবেন। যার মাধ্যমে সরাসরি অডিও ও টেক্সট আকারে ধর্মীয় প্রার্থনার অনুবাদ শুনতে ও পড়তে পারবেন তারা। এজন্য আলাদা কোনো অ্যাপের প্রয়োজন হবে না। সরাসরি মোবাইল ব্রাউজারের একটি ওয়েব পেইজ থেকেই এটি কাজ করবে।

এ প্রযুক্তিটি ‘লারা’ নামের এক এআই টুল থেকে তৈরি, যা ২০২৪ সালে চালু করেছিল ট্রান্সলেটেড।

কোম্পানিটির দাবি, প্রায় পাঁচ লাখ নেটিভ স্পিকার বা পেশাদার অনুবাদকের সংবেদনশীলতা ও দক্ষতা নিয়ে কাজ করতে পারে লারা।