২০২৬ থেকেই ব্রেইন চিপের ‘বড় পরিসরে’ উৎপাদন শুরু নিউরালিংকের
এক পোস্টে মাস্ক বলেছেন, ওই সময়ের মধ্যে অস্ত্রোপচারের এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় বা রোবটের মাধ্যমে করবে কোম্পানিটি।
২০২৬ সালের মধ্যেই ব্রেইন-কম্পিউটার ইন্টারফেইস ডিভাইস বা মস্তিষ্কে বসানো যায় এমন চিপের ‘বিপুল উৎপাদন’ শুরু করবে ইলন মাস্কের কোম্পানি নিউরালিংক।
বুধবার নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক পোস্টে মাস্ক বলেছেন, ওই সময়ের মধ্যে অস্ত্রোপচারের এই পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় বা রোবটের মাধ্যমে করবে কোম্পানিটি।
এ বিষয়ে রয়টার্সের মন্তব্যের অনুরোধে সাড়া দেয়নি নিউরালিংক।
এ ইমপ্ল্যান্ট বা চিপটি মূলত মেরুদণ্ডে আঘাতপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের সাহায্যের জন্য তৈরি করেছে কোম্পানিটি। এরইমধ্যে এ চিপ ব্যবহার করে ভিডিও গেইম খেলা, ইন্টারনেট ব্রাউজ, সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট ও ল্যাপটপের কার্সর নাড়ানোর মতো কাজগুলো করতে পেরেছেন মস্তিষ্কে চিপ বসানো প্রথম রোগী।
এর আগে, ২০২২ সালে মানুষের মস্তিষ্কে নিউরালিংকের চিপ বসানোর আবেদনটি বাতিল করেছিল যুক্তরাষ্ট্রের ‘ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ বা এফডিএ।
তবে পরবর্তীতে সংস্থাটির উত্থাপিত নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের পর ২০২৪ সাল থেকে মানুষের ওপর নিজেদের এই ব্রেইন ইমপ্ল্যান্টের পরীক্ষা শুরু করেছে নিউরালিংক।
গেল বছরের সেপ্টেম্বরে নিউরালিংক বলেছিল, বিশ্বজুড়ে গুরুতরভাবে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বা প্যারালাইজড ১২ জন ব্যক্তি তাদের এই ব্রেইন ইমপ্ল্যান্ট সেবা নিয়েছেন। এখন কেবল চিন্তার মাধ্যমেই বিভিন্ন ডিজিটাল ও ফিজিকাল ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন তারা।
এ ছাড়া, একই বছরের জুনে অর্থ সংগ্রহের এক তহবিলে ৬৫ কোটি ডলার বিনিয়োগ পেয়েছে কোম্পানিটি।
