যুক্তরাজ্যে বন্ধ হচ্ছে ‘অ্যামাজন ফ্রেশ’ চেইন
যুক্তরাজ্যে নিজেদের ১৪টি ‘অ্যামাজন ফ্রেশ’ নামের দোকান বন্ধ করে দেবে তারা। বাকি যে ৫টি দোকান রয়েছে সেগুলোকে ‘হোল ফুডস মার্কেট’ নামে চালু করবে কোম্পানিটি।
যুক্তরাজ্যে গ্রোসারি বা মুদি ব্যবসায় বড় পরিবর্তন আনছে অ্যামাজন। দেশটিতে কোম্পানিটির সব ধরনের মুদি দোকান বন্ধ করে দিচ্ছে মার্কিন ই কমার্স জায়ান্টটি।
অ্যামাজন ঘোষণা দিয়েছে, যুক্তরাজ্যে নিজেদের ১৪টি ‘অ্যামাজন ফ্রেশ’ দোকান বন্ধ করে দেবে তারা। বাকি যে ৫টি ‘অ্যামাজন ফ্রেশ’ দোকান রয়েছে সেগুলোকে ‘হোল ফুডস মার্কেট’ নামে রিব্র্যান্ডিং করবে কোম্পানিটি।
অ্যমাজন এখন দোকান চালানোর বদলে যুক্তরাজ্যে অনলাইন মুদিপণ্য সরবরাহের দিকেই বেশি মনোযোগ দেবে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি বিষয়ক সাইট এনগ্যাজেট।
কোম্পানিটি আশা করছে, ২০২৬ সালে যুক্তরাজ্যের ক্রেতাদের জন্য ‘সেইম ডে ডেলিভারি’ বা একই দিনে পণ্য সরবরাহ পরিষেবায় নিত্যপ্রয়োজনীয় ও নষ্ট হওয়ার মতো পণ্যও যোগ করবে তারা, যেটি গত মাসেই যুক্তরাষ্ট্রে চালু করেছে কোম্পানিটি।
এ পদক্ষেপটি ২০২৩ সালের একই ধরনের সংকোচনের পুনরাবৃত্তি। কারণ ওই সময় অ্যামাজন বলেছিল, কিছু ‘ফ্রেশ’ সুপারমার্কেট এবং কিছু ‘গো’ দোকান বন্ধ করে দেবে তারা।
এসব দোকানের অনেকগুলোতেই ‘জাস্ট ওয়াক আউট’ নামের এক বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করেছিল অ্যামাজন, যেটি প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্রে ২০১৮ সালে ও যুক্তরাজ্যে ২০২১ সালে চালু করেছিল কোম্পানিটি।
‘জাস্ট ওয়াক আউট’ প্রযুক্তিতে দোকানে কোনো ক্যাশিয়ার থাকে না। এর বদলে, ক্যামেরা, সেন্সর এবং ভিডিও পর্যবেক্ষণকারী মানুষের সমন্বয়ে গ্রাহকের কেনাকাটা হিসাব করে সে অনুসারে গ্রাহকের কার্ড থেকে অর্থ কেটে নিত অ্যামাজন।
তবে এ পদ্ধতির খরচ, সঠিকতা ও প্রাইভেসি নিয়ে অনেক প্রশ্ন ওঠার পর গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে নিজেদের বিভিন্ন ‘ফ্রেশ’ দোকানে ‘জাস্ট ওয়াক আউট’ প্রযুক্তির ব্যবহার বন্ধ করেছে মার্কিন ই কমার্স জায়ান্টটি।
