১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২ আশ্বিন ১৪৩৩

নিজস্ব এআই ক্লাউড কম্পিউট সংস্করণ চালু করছে গুগল

ভবিষ্যতের বিভিন্ন এআই ফিচারে আরও বেশি ‘বুদ্ধিমত্তা’ ও শক্তিশালী কম্পিউটারের দরকার পড়বে। সাধারণ ফোন বা ল্যাপটপ সেই ভারী কাজ সামলাতে পারবে না।

নিজস্ব এআই ক্লাউড কম্পিউট সংস্করণ চালু করছে গুগল
ভবিষ্যতের বিভিন্ন এআই ফিচারের আরও বেশি ‘বুদ্ধিমত্তা’ ও শক্তিশালী কম্পিউটারের দরকার পড়বে। ছবি: গুগল

প্রযুক্তি ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 13 Nov 2025, 03:33 PM

Updated : 26 Aug 2026, 05:06 PM

নতুন এক ক্লাউডভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম চালু করছে মার্কিন সার্চ জায়ান্ট গুগল, যা ডিভাইসে উন্নত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ফিচার ব্যবহার করতে দেবে ব্যবহারকারীদের এবং তাদের ব্যক্তিগত তথ্যও সুরক্ষিত রাখবে।

গুগলের এ নতুন ফিচারটি অ্যাপলের ‘প্রাইভেট ক্লাউড কম্পিউট’-এর মতোই। ফিচারটি এমন সময়ে আসছে যখন বিভিন্ন কোম্পানি নিজেদের ব্যবহারকারীদের প্রাইভেসি ও আধুনিক এআই অ্যাপ্লিকেশনের প্রয়োজন উভয়ের মধ্যে ভারসাম্য আনার চেষ্টা করছে বলে প্রতিবেদনে লিখেছে প্রযুক্তি বিষয়ক সাইট ভার্জ।

কোম্পানিটির অনেক পণ্যেই অন-ডিভাইস এআই ফিচার থাকে, যেমন অনুবাদ, অডিও সারাংশ তৈরি বা চ্যাটবট সহকারীর মতো কাজগুলো ফোন বা কম্পিউটারের ভেতরেই হয়। এতে ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য বাইরে যায় না, ফলে নিরাপদ থাকে।

তবে গুগল বলছে, এই পদ্ধতি ভবিষ্যতে টিকিয়ে রাখা কঠিন হবে। কারণ ভবিষ্যতের বিভিন্ন এআই ফিচারে আরও বেশি ‘বুদ্ধিমত্তা’ ও শক্তিশালী কম্পিউটারের দরকার পড়বে। সাধারণ ফোন বা ল্যাপটপ সেই ভারী কাজ সামলাতে পারবে না।

সমাধান হিসেবে গুগল বলছে, এআইয়ের জটিল বিভিন্ন কাজ ‘প্রাইভেট এআই কম্পিউট’ নামে এক ক্লাউড প্ল্যাটফর্মে পাঠাবে তারা। কোম্পানিটির ভাষায় যেটি ‘নিরাপদ ও সুরক্ষিত জায়গা’, যেখানে ‘তথ্যের নিরাপত্তা সেই স্তরেই থাকবে যেমনটি ব্যবহারকারীর ফোন বা কম্পিউটারের ভেতরে কাজের সময় থাকে।

কোম্পানিটির দাবি, নতুন পদ্ধতিতে সংবেদনশীল তথ্য কেবল ব্যবহারকারীর জন্যই থাকবে, অন্য কেউ এমনকি গুগল নিজেও সেইসব তথ্য দেখতে বা ব্যবহার করতে পারবে না।

গুগল বলেছে, অতিরিক্ত প্রসেসিং পাওয়ার বা গণনাশক্তি ব্যবহারের সুযোগ পেলে তাদের বিভিন্ন এআই ফিচার কেবল সাধারণ অনুরোধ পূরণের কাজই নয়, বরং আরও ব্যক্তিগত ও মানানসই পরামর্শ দিতে পারবে।

উদাহরণ হিসেবে কোম্পানিটি বলেছে, পিক্সেল ১০ ফোনে ‘ম্যাজিক কিউ’ নামের এআই টুল আরও কার্যকর হবে, যা ইমেইল ও ক্যালেন্ডার অ্যাপ থেকে তথ্য বুঝে নিয়ে প্রাসঙ্গিক পরামর্শ দেবে। এ ছাড়া রেকর্ডার অ্যাপে আরও অনেক ভাষায় লেখা তৈরি করা সম্ভব হবে।

এ নতুন পদক্ষেপ নিয়ে গুগল বলেছে, ‘এটি কেবলই শুরু’।