সেলেসাওদের নতুন যুগের সূচনায় অংশ হতে পেরে খুশি এস্তেভোঁ
সবাই নিজের সেরাটা দিয়ে খেললে ব্রাজিল দ্রুতই সাফল্যের পথে ফিরবে, বিশ্বাস এই তরুণ ফরোয়ার্ডের।
চোটের ছোবলে বিশ্বকাপ খেলতে না পারার হতাশা হয়তো কখনও মুছবে না, তবে সেই ধাক্কা সামলে আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন এস্তেভোঁ। সাফল্যের পথে ফিরতে তার মতোই নতুন করে শুরু করতে যাচ্ছে ব্রাজিল। তরুণ এই ফরোয়ার্ডের দৃঢ় বিশ্বাস দলকে বিশ্ব ফুটবলে শীর্ষ পর্যায়ে ফেরাতে ভূমিকা রাখতে পারবেন তিনি।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে জাতীয় দলে অভিষেক হয় এস্তেভোঁর। পরের বছরের সেপ্টেম্বরে ষষ্ঠ ম্যাচে এসে আন্তর্জাতিক ফুটবলে গোলের খাতা খোলেন। আর দেশের হয়ে সবশেষ চার ম্যাচের তিনটিতেই জালের দেখা পান তিনি, ওই তিন ম্যাচে করেন চার গোল।
ওই উজ্জ্বল পারফরম্যান্সে হয়তো কার্লো আনচেলত্তির বিশ্বকাপ দলে থাকতেন এস্তেভোঁ; কিন্তু হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে তা সম্ভব হয়নি।
জুন-জুলাইয়ের ওই বিশ্বকাপে ব্রাজিলও আশানুরূপ পারফর্ম করতে পারেনি। শেষ ষোলোয় নরওয়ের বিপক্ষে হেরে বিদায় নেয় তারা। ২০০২ সালে সবশেষ বিশ্বকাপজয়ী দলটির বৈশ্বিক আসরে এটাই সবচেয়ে বাজে পারফরম্যান্স।
ওই ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে, ২০৩০ সালের আগামী বিশ্বকাপের জন্য ইতোমধ্যে পরিকল্পনা শুরু করেছেন আনচেলত্তি। সেই লক্ষ্যে এবার তিনটি প্রীতি ম্যাচের জন্য ‘বয়স্কদের’ বাদ দিয়ে তারুণ্যনির্ভর দল গড়েছেন তিনি।
পুরো প্রক্রিয়াটিকে এস্তেভোঁ দেখছেন নতুন যুগের সূচনা হিসেবে। ব্রিজবেনে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলনে দ্রুত সময়ে ব্রাজিলকে আবারও সেরা হিসেবে মেলে ধরার আশার কথাও শোনালেন চেলসি ফরোয়ার্ড।
“এই নতুন চক্রের জন্য এখানে থাকতে পারাটা আমার এবং আরও যেসব তরুণরা আসছে, সবার জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমি মনে করি, সবাইকে সামর্থ্যের সর্বোচ্চটা দিয়ে ব্রাজিল জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করতে হবে, সেটা পয়েন্টের জন্য হোক কিংবা না।
“এই প্রীতি ম্যাচগুলোয় আমরা আমাদের সেরাটা দিয়ে লড়ব, এটাই আসল ব্যাপার। ফল আসবেই, সবাইকে সামর্থ্যের সবটুকু দিতে হবে এবং সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে।”
এবারের আন্তর্জাতিক বিরতিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুটি ও ভারতের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। প্রথমটি মাঠে গড়াবে আগামী শুক্রবার, আর দ্বিতীয়টি হবে আগামী মঙ্গলবার।
আর আগামী ৩ অক্টোবর ভারত সফরে তৃতীয় ম্যাচটি খেলবে আনচেলত্তির দল।
