Published : 25 Jun 2026, 03:55 PM
বিশ্বকাপের নকআউটে ওঠার আনন্দের মাঝেও একটা আক্ষেপ তাড়া করছে জেসি মার্শকে। গ্রুপ সেরা যে হতে চেয়েছিলেন কানাডার কোচ। পরের ম্যাচটিও খেলতে চেয়েছিলেন ঘরের মাঠে। কিন্তু সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে সেই লক্ষ্য পূরণ না হওয়ায় কিছুটা হতাশ তিনি।
ভ্যানকুভারে বুধবার ‘বি’ গ্রুপ শেষ রাউন্ডে সুইজারল্যান্ডের কাছে ২-১ গোলে হেরে যায় কানাডা। সবগুলো গোলই হয় দ্বিতীয়ার্ধে। ইয়োহান মানজাবি ও রুবেন ভার্গাসের গোলে সুইসরা এগিয়ে যাওয়ার পর ব্যবধান কমান প্রমিস ডেভিড।
গ্রুপ পর্বের তিনটি ম্যাচই ঘরের মাঠে খেলেছে এবারের বিশ্বকাপের সহ-আয়োজকদের একটি কানাডা। প্রথমটি টরন্টোতে, আর শেষ দুটি ভ্যানকুভারে।
গ্রুপ সেরা হলে এই ভ্যানকুভারেই শেষ বত্রিশের ম্যাচ খেলার সুযোগটি পেত কানাডা। সঙ্গে নকআউট পর্বের প্রথম ধাপের আগে লম্বা একটা বিরতিও পেত তারা।
‘বি’ গ্রুপে চ্যাম্পিয়নরা আগামী ৩ জুলাই বাংলাদেশ সময় সকালে খেলবে শেষ বত্রিশের ম্যাচ। আর এই গ্রুপের রানার্সআপদের মাঠে নামতে হবে আগামী রোববার।
সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ ড্র করলেই গ্রুপ সেরা হওয়ার সুযোগ ছিল কানাডার। কিন্তু সেটা তারা পারেনি। তিন ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে রানার্স আপ হওয়ায় এখন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে আগামী রোববার লস অ্যাঞ্জেলসে খেলবে কানাডা।
সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামার আগের দিন নিজেদের এই লক্ষ্যের কথা বলেছিলেন মার্শ। সেটা পূরণ না হওয়ায় ম্যাচ শেষে হতাশা ঝরল কানাডা কোচের কণ্ঠে।
“আমরা ভ্যানকুভারে থাকতে চেয়েছিলাম। কিন্তু এখনও আমাদের সামনে বিশাল একটি সুযোগ রয়েছে। পরের ম্যাচের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করতে হবে এবং লস অ্যাঞ্জেলসে থেকে হলেও পুরো দেশকে উজ্জীবিত করার পথ খুঁজে বের করতে হবে।”
“আমরা লক্ষ্য থেকে সামান্য পিছিয়ে পড়েছি, যা অবশ্যই হতাশাজনক। কিন্তু আমরা নকআউট পর্বে আছি এবং নিশ্চিত করব, পরের ম্যাচের জন্য আমরা আরও ভালোভাবে প্রস্তুত থাকব।”
বিশ্বকাপে সামনে এগিয়ে যেতে হলে বড় দলের বিপক্ষে খেলার চাপ সামলানো শিখতে হবে কানাডার। দ্রুত সেটা শিখতে চান মার্শ।
“সুইজারল্যান্ড খুবই ভালো দল, অভিজ্ঞ ও চতুর একটি দল। আমার মনে হয়, সেটা আজকে দেখা গেছে।”
“এই ধরনের দলকে কীভাবে সামলাতে হয়, সেটা আমাদের আরও বুঝতে হবে। আর সেটা দ্রুত শিখতে হবে, কারণ আমরা নকআউট পর্বে উঠেছি, যেখানে পৌঁছানোই ছিল আমাদের লক্ষ্য।”