Published : 17 Jun 2026, 09:31 AM
ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে অনুপ্রেরণার বিশাল এক উৎস হিসেবে দেখেন ব্রুনো ফের্নান্দেস। এই মহাতারকাকে সতীর্থ হিসেবে পাওয়া বিরাট সৌভাগ্যের মনে করেন তিনি। পর্তুগালের এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডারের বিশ্বাস, তাদের অধরা বিশ্বকাপ জয়ের লক্ষ্যের কাছে নিয়ে যাবেন অধিনায়ক রোনালদো।
ইউসেবিওর অনুপ্রেরণায় ১৯৬৬ সালে ও লুইস ফিগোর নেতৃত্বে ২০০৬ সালে সেমি-ফাইনালে ওঠা পর্তুগাল এবার তাদের নবম বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছে। আগের সব প্রজন্মকে ছাড়িয়ে যাওয়ার আশায় আছে রবের্তো মার্তিনেসের দল।
ইউরোপিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ স্তরে বছরের পর বছর কাটানো অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের প্রতিভার মিশেলে গড়া পর্তুগাল দল। যেখানে সবার মধ্যমণি রোনালদো। রেকর্ড ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলতে যাচ্ছেন ৪১ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
ফিফাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ৩১ বছর বয়সী ফের্নান্দেস বলেন, রোনালদোর থেকে তাদের অনেক কিছুই নেওয়ার আছে।
“ক্রিস্তিয়ানোকে স্বদেশি, সতীর্থ ও এমন একজন খেলোয়াড় হিসেবে পাওয়া আমাদের জন্য বিরাট সৌভাগ্যের, তিনি আমাদের বিশ্বকাপ জয়ের আরও কাছে নিয়ে যেতে পারেন।”
“আমার মনে হয়, আমরা সবসময় তার কাছ থেকে শিখতে পারি। তিনি তার ক্যারিয়ারজুড়ে দৃঢ়তা দেখিয়েছেন। তার মধ্যে সেই জয়ী মানসিকতা আছে, তিনি যা অর্জন করেছেন তাতে কখনোই সন্তুষ্ট হন না এবং সবসময় আরও বেশি কিছুর জন্য চেষ্টা করেন। এই সবই এমন ইতিবাচক গুণাবলী, যা তার ক্যারিয়ার থেকে আমরা নিতে পারি।”
আন্তর্জাতিক ফুটবলে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলার পাশাপাশি সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডও রোনালদোর। তরুণ খেলোয়াড়দের ওপর রোনালদোর প্রভাব আগের চেয়ে আরও বেশি থাকবে বলে আশা ব্যক্ত করেন ফের্নান্দেস।
“তিনি যে ২০ বছর ধরে খেলে যাচ্ছেন, তা থেকেই বোঝা যায়, এত দীর্ঘ সময় ধরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পারফর্ম করার জন্য ওই সবকিছুই অতীতে প্রয়োজনীয় ছিল এবং এখনও আছে। প্রতিভার পাশাপাশি এই বিষয়গুলো তার বছরের পর বছর ধরে দেখানো পারফরম্যান্সের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আশা করি, তিনি বিশ্বকাপে আমাদের হয়ে এর পুনরাবৃত্তি করতে পারবেন, যেমনটা তিনি সবসময় করে এসেছেন, আমাদের সাহায্য করবেন, আরও গোল করবেন এবং আমাদেরকে লক্ষ্যের আরও কাছে নিয়ে যাবেন।”
হিউস্টনে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাত ১১টায় ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে উত্তর আমেরিকা আসরে অভিযান শুরু করবে পর্তুগাল।