০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩

জমজমাট লড়াইয়ে ফ্রান্স-ইতালির ড্র

টানা দুই জয়ের পর, প্রথমবার পয়েন্ট হারাল জিনেদিন জিদানের দল।

জমজমাট লড়াইয়ে ফ্রান্স-ইতালির ড্র

আক্রমণে দাপট দেখিয়েও জিততে পারল না ফ্রান্স। ছবি: রয়টার্স

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 03 Oct 2026, 02:47 AM

Updated : 03 Oct 2026, 03:08 AM

জিনেদিন জিদানের কোচিংয়ে ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচে শুরুর বিবর্ণতা ঝেড়ে চমৎকার খেলল ফ্রান্স। দ্বিতীয়ার্ধে দারুণ গোলে এগিয়েও গেল তারা। কিন্তু নিজেদের ভুলেই ম্যাচে ফেরার সুযোগ দিল প্রতিপক্ষকে। শেষ পর্যন্ত আর ব্যবধান গড়ে দিতে পারলেন না কেউ।

ফ্রান্সের জাতীয় স্টেডিয়ামে শুক্রবার রাতে উয়েফা নেশন্স লিগের ম্যাচটি ১-১ ড্র হয়েছে। শেষ দিকে কিছু সময় ১০ জন নিয়ে খেলেছে স্বাগতিকরা।

মাইকেল ওলিসে ফ্রান্সকে এগিয়ে নেওয়ার পর সমতা টানেন আলেস্সান্দ্রো বাস্তোনি।

আসরে প্রথম দুই ম্যাচে ১-০ গোলে জয়ের পর প্রথমবার পয়েন্ট হারাল ফ্রান্স।

অন্যদিকে, ইতালির এক পয়েন্ট পাওয়ায় বড় অবদান আছে জানলুইজি দোন্নারুম্মার। মোট সাতটি সেভ করেন এই তারকা গোলরক্ষক।

বল দখলে এগিয়ে থেকে গোলের জন্য ১৮টি শট নিয়ে আটটি লক্ষ্যে রাখতে পারে ফ্রান্স। ইতালির ১৪ শটের দুটি লক্ষ্যে ছিল।

তিন ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে ‘এ’ লিগের এক নম্বর গ্রুপের শীর্ষেই আছে ফ্রান্স।

একই সময়ে শুরু গ্রুপের আরেক ম্যাচে তুরস্ককে ৩-০ গোলে হারানো বেলজিয়াম ৬ পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে আছে। ৪ পয়েন্ট নিয়ে তিনে ইতালি, আর তুরস্ক এখনও পয়েন্ট পায়নি।

নবম মিনিটে সুবর্ণ এক সুযোগ পেয়ে যায় ইতালি। কিন্তু বাঁ দিক থেকে সতীর্থের পাস দূরের পোস্টে ফাঁকায় পেয়েও গোল করতে পারেননি মোইজে কিন। তার প্রচেষ্টা রুখে দেন গোলরক্ষক মাইক মিয়াঁ।

আক্রমণ পাল্টা-আক্রমণ চললেও, পরিষ্কার সুযোগ খুব একটা তৈরি করতে পারছিল না কেউ। ৩৭তম মিনিটে প্রথম কোনো শট লক্ষ্যে রাখতে পারে ফ্রান্স। তবে উসমান দেম্বেলের শটটি ঠেকাতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি দোন্নারুম্মাকে।

তিন মিনিট পর সুযোগ হারান ইতালির পিও এস্পোজিতো। ছয় গজ বক্সের বাইরে থেকে শট লক্ষ্যে রাখতে পারেননি তিনি। একটু পর কিন ফ্রান্সের জালে বল পাঠালেও, অফসাইডের কারণে গোল মেলেনি।

প্রথমার্ধে দুই দলই গোলের জন্য সমান আটটি করে শট নিয়ে কেবল একটি করে লক্ষ্যে রাখতে পারে।

দ্বিতীয়ার্ধের তৃতীয় মিনিটে দুর্দান্ত ডাবল সেভে ইতালিকে বাঁচান দোন্নারুম্মা। দেজিরে দুয়ের শট ঠেকানোর পর, কাছ থেকে দেম্বেলের প্রচেষ্টা আটকে দেন তিনি। দুই মিনিট পর ওলিসের শটও ব্যর্থ করে দেন ম্যানচেস্টার সিটি গোলরক্ষক।

৫৫তম মিনিটে আর জাল অক্ষত রাখতে পারেননি দোন্নারুম্মা। ডি-বক্সের বাইরে ফ্রি-কিকে পায়ের টোকায় বল একটু সামনে বাড়িয়ে দেন রায়ান শের্কি, আর বুলেট গতির শটে ঠিকানা খুঁজে নেন ওলিসে। নড়ার সুযোগ পাননি গোলরক্ষক।

স্বাগতিকদের সেই স্বস্তি বেশিক্ষণ টেকেনি। ৬৮তম মিনিটে নিজেদের ভুলেই গোল হজম করে তারা। বক্সের বাইরে বলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন লুকা দা কুইয়া, আলগা বল পেয়ে বক্সে ঢুকে আগুয়ান গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন বাস্তোনি।

বাকি সময়ে ব্যবধান গড়ে দেওয়ার একাধিক সুযোগ পায় ফ্রান্স। কিন্তু আরও দুটি দারুণ সেভ করেন দোন্নারুম্মা, আদ্রিয়াঁ হাবিও ও এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গার শট রুখে দেন তিনি।

নির্ধারিত সময়ের পাঁচ মিনিট বাকি থাকতে কিনকে টেনে ধরে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখেন দাইয়ু উপামেকানো।

পুরানো খবর:

চমৎকার ২ গোলে ২০০ ছাড়িয়ে ডে ব্রুইনে, জয়ের পথে বেলজিয়াম