মার্তিনেসের ‘বুদ্ধি’ কাজে লাগিয়েই বাজিমাত দিবালার
মার্তিনেস না বললে হয়তো তিনি ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষেই শট নিতেন, যেদিকে ডাইভ দিয়েছিলেন লরিস!
ফ্রান্সের বিপক্ষে ফাইনালে টাইব্রেকারে চাপের মুখে দারুণ শটে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন পাওলো দিবালা। তবে স্পট কিকে সাফল্যের মন্ত্র নাকি তাকে যপে দিয়েছিলেন সতীর্থ এমিলিয়ানো মার্তিনেস। আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড বললেন, এই গোলরক্ষকের পরামর্শ কাজে লাগিয়েই বাজিমাত করেন তিনি।
পুরো আসরে তেমন একটা খেলার সুযোগ পাননি দিবালা। ফাইনালে শেষ দিকে তিনি নামেন বদলি হিসেবে। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে ৩-৩ সমতার পর ম্যাচ গড়ায় টাইব্রেকারে। এতে ছোট্ট কিন্তু মহাগুরুত্বপূর্ণ একটি অবদান আছে দিবালার।
একেবারে অন্তিম সময়ে তিন জনকে কাটিয়ে ডি বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন কিলিয়ান এমবাপে। ঠিক সেই সময়ে ছুটে গিয়ে বিপদমুক্ত করেন দিবালা। সেটাই ছিল ম্যাচের শেষ শট। এরপর টাইব্রেকারে এমবাপে ও লিওনেল মেসি পান জালের দেখা।
কিংসলে কোমানের শট ঠেকিয়ে দিয়ে আর্জেন্টিনার সম্ভাবনা উজ্জ্বল করেন মার্তিনেস। দ্বিতীয় শটে দিবালার গোল পাওয়া খুব জরুরি ছিল। ঠিক মাঝ বরাবর জোরাল শটে উগো লরিসকে পরাস্ত করেন রোমার ২৮ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড।
এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি। মার্তিনেসের নৈপুণ্য আর কিংসলে কোমান ও অহেলিয়া চুয়ামেনির ব্যর্থতায় ৪-২ ব্যবধানে জিতে চ্যাম্পিয়ন হয় আর্জেন্টিনা।
আর্জেন্টিনায় ফেরার পর স্পট কিক প্রসঙ্গে দিবালা বলেন, মার্তিনেস না বললে হয়তো তিনি ডান দিকের পোস্ট ঘেঁষেই শট নিতেন, যেদিকে ডাইভ দিয়েছিলেন লরিস!
“যখন মাঠে নামলাম, তখনই জানতাম টাইব্রেকারের জন্যই আমাকে নামানো হয়েছে। আমি ডান দিকের কর্নারে শট নেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম। দিবু (এমিলিয়ানো মার্তিনেস) আমাকে বলেছিল যে, তারা মিস করার পর আমার মাঝখানে শট করা উচিত, কারণ (প্রতিপক্ষের) গোলরক্ষক সবসময় ডাইভ দেয়। ভাগ্যক্রমে আমি তার কথা শুনেছিলাম।”
