ব্যর্থতার জাল ছেঁড়া সেঞ্চুরিতে সাইদ আনোয়ারের পাশে ফাখার
ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে তিন অঙ্কে ছুঁয়ে দারুণ এক কীর্তি গড়েছেন পাকিস্তানের ওপেনার।
ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজে ব্যাট হাতে ফাখার জামানের সময়টা কাটছিল ভীষণ বাজে। ব্যর্থতার সেই বৃত্ত ভেঙে এবার বেরিয়ে এলেন পাকিস্তানের ওপেনার। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ফাইনালে উপহার দিলেন দারুণ এক সেঞ্চুরি।
লাহোরে শনিবার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে ৩২৬ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ১২৭ রান করেন ফাখার। তার ৯৯ বলের ইনিংসটি সাজানো ছয়টি ছক্কা ও ১১টি চারে।
ওয়ানডের বহুদলীয় কোনো সিরিজ বা টুর্নামেন্টের ফাইনালে পাকিস্তানের হয়ে একাধিক সেঞ্চুরি করা দ্বিতীয় ব্যাটসম্যান ফাখার। অন্যজন হলেন দেশটির ব্যাটিং গ্রেট সাইদ আনোয়ার। দুইজনেরই ফাইনালে আছে দুটি করে সেঞ্চুরি।
২০১৭ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে সেঞ্চুরি করেন ফাখার। ভারতকে ১৮০ রানে হারিয়ে শিরোপা জেতার ওই ম্যাচে ১১৪ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।
ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রাথমিক পর্বের চার ম্যাচে একেবারেই নিষ্প্রভ ছিলেন ফাখার। ওই চার ইনিংসে তার মোট রান কেবল ৩১, সর্বোচ্চ ১৬। তবুও তার ওপর আস্থা হারায়নি দল। সেটার প্রতিদান দিলেন তিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এসে।
ওয়ানডেতে এটি ফাখার দ্বাদশ সেঞ্চুরি। প্রায় তিন বছর পর এই সংস্করণে তিন অঙ্কের স্বাদ পেলেন তিনি। ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে অপরাজিত ১২৬ রান করেন এই ক্রিকেটার।
গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে বড় রান তাড়ায় ১৪ রানে ২ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় পাকিস্তান। শুরুর সেই ধাক্কা সামলে দলকে পথে রাখেন ফাখার। তাকে দারুণ সঙ্গে দেন সাদ বেগ।
তৃতীয় ওভারে আসিথা ফার্নান্দোকে ছক্কায় ওড়ান ফাখার। পরে থিকশানাকে হাঁকান আরেকটি। দেখেশুনে খেলে ৫৯ বলে ফিফটি স্পর্শ করেন তিনি।
পঞ্চাশের পর দ্রুত রান বাড়ান ফাখার। ফিফটি থেকে সেঞ্চুরিতে পা রাখতে তার লাগে স্রেফ ২৫ বল। এই সময় চারটি চার ও দুটি ছক্কা মারেন তিনি।
৩০তম ওভারে আসিথাকে চার মেরে ৮৪ বলে সেঞ্চুরিতে পা রাখেন ফাখার। এরপর আরও দুটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান তিনি। ৩৪তম ওভারে বোল্ড হয়ে ড্রেসিং রুমে ফেরেন এই ক্রিকেটার।
