Published : 14 Nov 2025, 12:39 AM
চোট পেয়ে ৭৯তম মিনিটে মাঠ ছাড়ার আগে জোড়া গোলে বাংলাদেশকে জয়ের পথ দেখিয়ে গিয়েছিলেন হামজা চৌধুরী; কিন্তু বাকি সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি দল। যোগ করা সময়ে গোল খেয়ে ড্র করেছে বাংলাদেশ। ম্যাচ শেষের প্রতিক্রিয়ায় নেপাল কোচ হরি খাড়কা বললেন, ম্যাচের পুরোটা সময় হামজা খেললে সমতাসূচক গোল পাওয়া কঠিন হতো তাদের জন্য।
খাড়কা ক্ষোভ ঝারলেন ৫০তম মিনিটে বাংলাদেশের পাওয়া পেনাল্টি নিয়ে। প্রথমার্ধে একটি পেনাল্টি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন তারা, করলেন এমন অভিযোগও।
জাতীয় স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের বিপক্ষে ২-২ ড্র করে নেপাল।
রোহিত চাঁদের গোলে পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশকে ৪৬তম মিনিটে সমতায় ফেরানোর চার মিনিট পর এগিয়ে নেন হামজা। শেষ মুহূর্তে অনন্ত তামাংয়ের গোলে হার এড়ায় নেপাল। হামজা মাঠে থাকলে তাদের জন্য সবকিছু কঠিন হতো বলে মনে করেন খাড়কা।
“এটা তো কোচের কৌশল (হামজাকে তুলে নেওয়া)। তবে আমি মনে করি, যদি হামজা খেলত, তাহলে আমাদের দ্বিতীয় গোল পাওয়াটা কঠিন হতো।”
বাংলাদেশ ও নেপাল এই প্রীতি ম্যাচ খেলল এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচের প্রস্তুতি সারতে। ড্র ফল নিয়ে তাই কথা বলতে তেমন একটা আগ্রহী হলেন না খাড়কা। ম্যাচে হামজার প্রভাব আর পেনাল্টি নিয়ে বেশি কথা বললেন তিনি।
“গতকালও আমি বলেছিলাম, ভীষণ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ হবে। বাংলাদেশ যখন নেপালে খেলতে গিয়েছিল, তখন তাদের পূর্ণাঙ্গ দল ছিল না। এখানে পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড পেয়েছে। বাংলাদেশ ভালো খেলেছে। দ্বিতীয়ার্ধে আমাদের ছেলেরা পরিকল্পনা অনুসরণ করছিল।”
“বাংলাদেশ খুব বেশি সুযোগ তৈরি করতে পারছিল না, কেননা আমরা প্রেসিং জোন আটঁসাঁট রেখেছিলাম। দ্বিতীয়ার্ধে ওরা গোল পেয়ে গেল, হামজা দারুণ গোল করেছে, কিন্তু দ্বিতীয় গোলটি আমি মনে করি, ওটা পেনাল্টি ছিল না। বরং আমি মনে করি প্রথমার্ধে আমাদের একটা পেনাল্টি প্রাপ্য ছিল। অঞ্জনের পায়ে বল ছিল এবং ওদের ডিফেন্ডার ওকে ফাউল করেছিল।”
আরও পড়ুন:
হামজাকে নিয়ে শঙ্কা দূর করলেন কোচ
বাইসাইকেল কিক ও পানেনকা শটেও বাংলাদেশকে জেতাতে পারলেন না হামজা