যুব গেমসে অংশ নেবে ২ হাজার ৬৬০ অ্যাথলেট
আগামী শনিবার মাঠে গড়াবে বাংলাদেশ যুব গেমসের মূল পর্বের খেলা। সারা দেশ থেকে বাছাইকৃত ২ হাজার ৬৬০ জন অ্যাথলেট নামবেন ৩৪০টি স্বর্ণপদকের লড়াইয়ে।
সব জেলা ও বিভাগে ২১টি ডিসিপ্লিনের খেলা আয়োজন সম্ভব না হলেও মূল পর্বে হচ্ছে। অবশ্য ফুটবল শুরু হয়েছে গত বুধবার থেকে। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে শনিবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিযোগিতাটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন।
৫ কোটি টাকা বাজেট রাখা হয়েছে জাকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য। জেলা-বিভাগের পর্যায়ের ভিডিও, প্যারেড, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লেজার শো, আতশবাজি-সবই বিনা টিকেটে গ্যালারিতে বসে উপভোগ করতে পারবেন ক্রীড়াপ্রেমীরা।
চূড়ান্ত পর্ব থেকে সেরাদের খুঁজে বের করতে বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) এবং ফেডারেশনসমূহের সমন্বয়ে টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করেছে। বয়স নির্ধারণী পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে প্রতিযোগিতাটি অনূর্ধ্ব-১৭ বছর বয়সীদের।
চূড়ান্ত পর্ব সামনে রেখে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনে অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি শেখ বশির আহমেদ আগের দুই পর্বের মূল্যায়ন তুলে ধরেন। প্রতিযোগিতা শেষে সম্ভাবনাময় অ্যাথলেট পাওয়ার আশাবাদও জানান।
“হারিয়ে যাওয়া খেলাগুলোকে চাঙ্গা করা এবং কিছু প্রতিভা খুঁজে বের একটা চেষ্টা ছিল এই গেমসে। আসলে আমরা কতটুকু পেরেছি, সেটা জানি না। চূড়ান্ত পর্বের পারফরম্যান্সে বোঝা যাবে।”
“এই গেমস করতে গিয়ে অনেক কিছুই আমাদের কাছে পরিষ্কার হয়েছে। কিছু কিছু জেলায় সংগঠকের অভাব, অবকাঠামোগত সমস্যা এবং সাংগঠনিক তৎপরতার অভাব দেখেছি। এই জেলাগুলোকে আমরা চিহ্নিত করেছি।”
বিওএ মহাসচিব সৈয়দ শাহেদ রেজা আবারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সম্ভাবনাময়দের মানসম্পন্ন অ্যাথলেট হয়ে ওঠার পথটা করে দেওয়ার।
“যে সব জেলায় সমস্যাগুলো দেখেছি, এই গেমস শেষে সরকারের সঙ্গে এগুলো নিয়ে আমরা বসব। চূড়ান্তপর্ব থেকে যাদের বাছাই করব, তাদের আমরা হারিয়ে যেতে দেবো না। ফেডারেশনগুলোকে নিয়ে বাছাইকৃতদের কিভাবে সার্বক্ষণিক তত্ত্বাবধানে রাখা হবে, সেটাও ঠিক করব। আশা করি, এর জন্য অর্থ কোন সমস্যা হবে না।”
