ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ
Published : 21 Jun 2025, 03:44 PM
চার ম্যাচের মধ্যে দ্বিতীয়বার বহিষ্কৃত হয়ে অনুতপ্ত নিকোলাস জ্যাকসন। নিজের ভুল বুঝতে পেরে সতীর্থ ও সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন চেলসি স্ট্রাইকার।
সবশেষ এমন কাণ্ড তিনি ঘটান শুক্রবার রাতে, ক্লাব বিশ্বকাপে ফ্ল্যামেঙ্গোর বিপক্ষে ম্যাচে। বদলি হিসাবে মাঠে নামার চার মিনিটের মধ্যে প্রতিপক্ষের ডিফেন্ডার লুকাসকে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন জ্যাকসন।
জ্যাকসনের মতো তার দলেরও রাতটা ভীষণ খারাপ কেটেছে। পেদ্রো নেতোর গোলে শুরুতে এগিয়ে যাওয়ার পরও, ৩-১ গোলে হেরে গেছে চেলসি। বিরতির পর ঘুরে দাঁড়িয়ে গোল তিনটি করে ব্রাজিলের ক্লাবটি।
৬২তম মিনিটে অভিজ্ঞ উইঙ্গার ব্রুনো এনহিকে সমতা টানার তিন মিনিট পরই দলকে এগিয়ে নেন দানিলো। এরপরই জ্যাকসনের ওই লাল কার্ডের ঘটনা। নির্ধারিত সময়ের সাত মিনিট বাকি থাকতে ওয়ালাসে ইয়ানের গোলে জয়ের উল্লাসে ভাসে ফ্ল্যামেঙ্গো।
ম্যাচের টানটান উত্তেজনার মুহূর্তে এবং দল পিছিয়ে থাকা অবস্থায় ওভাবে বহিষ্কার হওয়ায় নিজের ওপরই বিরক্ত জ্যাকসন।
“আমি দুঃখিত। ক্লাব, স্টাফ, আমার সতীর্থ ও সব সমর্থকদের কাছে আমি ক্ষমা চাচ্ছি, সবাইকে আমি হতাশ করেছি।”
গত মে মাসে প্রিমিয়ার লিগে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে ২-০ গোলে হারের ম্যাচেও লাল কার্ড দেখেছিলেন জ্যাকসন।
“আরেকটি লাল কার্ড… সত্যি বলতে আমি নিজের ওপর খুবই ক্ষুব্ধ। দলকে সাহায্য করতে আমি প্রতিদিন কঠোর পরিশ্রম করি, দলকে এভাবে বিপদে ফেলার জন্য নয়। এখনও আমি বুঝতে পারছি না, এটা কিভাবে ঘটল। তবে একটা ব্যাপার পরিষ্কার, এটা ইচ্ছাকৃত ছিল না। ফুটবলের একটা মুহূর্ত মাত্র, যেটা ভুল পথে গেছে।”
“কোনো অজুহাত নয়। আমি পুরো দায় নিচ্ছি। (ভুল থেকে শিখে) আমি ঘুরে দাঁড়াব, বেড়ে উঠব এবং এই দলের জন্য আমি শক্তিশালী হয়ে ফিরব। আমার ওপর যারা বিশ্বাস রেখেছেন, তাদের সবার কাছে…দুঃখিত, দুঃখিত, দুঃখিত।”
টানা দুই জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে ‘ডি’ গ্রুপ থেকে শেষ ষোলোয় উঠে গেছে ফ্ল্যামেঙ্গো।
সমান ৩ পয়েন্ট নিয়ে পরের দুটি স্থানে আছে চেলসি ও তিউনিস। শেষ রাউন্ডে এই দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ের বিজয়ীরা নকআউট পর্বে উঠবে।