Published : 02 Jul 2026, 04:27 PM
ম্যাচে তখন ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে বেলজিয়াম। হঠাৎ করে ঝগড়া লেগে গেল দুই সতীর্থ ইউরি টিলেমান্স ও লেয়ান্ড্রো ট্রসার্ডের। সতীর্থদের হস্তক্ষেপে ঘটনা গড়াল না বেশি দূর। ঘটনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা না থাকলেও বেলজিয়াম কোচ রুড গার্সিয়া বললেন, এতে আপত্তি নেই তার।
দ্বিতীয়ার্ধের ‘হাইড্রশন ব্রেক’ এর সময় কিছু একটা নিয়ে খুব উত্তেজিত দেখা যায় অধিনায়ক টিলেমান্সকে। হাত উপরে তুলে কিছু একটা বলতে বলতে ট্রসার্ডের দিকে এগিয়ে যান তিনি। জবাবে চিৎকার করে হাত নেড়ে তার দিকে এগিয়ে যান ট্রসার্ডও।
হুট করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। মনে হচ্ছিল, হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়বেন দুই সতীর্থ। কিন্তু দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখান নিকোলাস রাসকিন। দুই জনের মাঝখানে এসে দুই হাতে তাদের আলাদা করে রাখেন তিনি। পরে ট্রসার্ডকে টেনে সরিয়ে নেন রোমেলু লুকাকু।
৮৯তম মিনিটে ট্রসার্ড ও টিলেমান্সের নৈপুণ্যেই সমতায় ফেরে বেলজিয়াম। সতীর্থের নিখুঁত ক্রসে চমৎকার হেডে জাল খুঁজে নেন টিলেমান্স। পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে গোল উদযাপন করেন তারা।
ম্যাচ শেষে গার্সিয়া বললেন, তিনি ঠিক বুঝতে পারেননি কি নিয়ে উত্তপ্ত তর্কে জড়িয়েছিলেন দুই সতীর্থ।
“লুকাকু চেষ্টা করেছে দুই জনকে শান্ত করার জন্য। এর অর্থ হলো আমাদের দলটা প্রাণবন্ত… লেয়ান্ড্রো, ইউরি, ওরা বেলজিয়াম দলের গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়।”
“ওরা খুব করে জিততে চেয়েছিল। আমি জানি না ঠিক কি নিয়ে তারা তর্ক করছিল। তবে আমার এটা ভালো লেগেছে- আমার সেই সব খেলোয়াড়দের ভালো লাগে যারা কঠিন সময়ে সত্যিই পরিস্থিতি পাল্টে দিতে চায়।”
রোমাঞ্চর ম্যাচে শেষের নাটকীয়তায় ৩-২ গোলে জিতে শেষ ষোলোয় পৌঁছায় বেলজিয়াম। কোয়ার্টার-ফাইনালে যাওয়ার লড়াইয়ে আগামী মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হবে তারা।