১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

ব‍্যবধান গড়ে দেওয়া ইব্রাহিমের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কোচ

শুরুতে মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে নেওয়ার ভাবনা ছিল না, অকপটে বললেন ফর্টিস কোচ মাসুদ পারভেজ কায়সার।

ব‍্যবধান গড়ে দেওয়া ইব্রাহিমের প্রশংসায় পঞ্চমুখ কোচ
ফর্টিসের দারুণ জয়ের নায়ক আবাহনী থেকে ধারে খেলতে আসা মোহাম্মদ ইব্রাহিম। ছবি: বাফুফে

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 11 Aug 2026, 08:32 PM

Updated : 11 Sep 2026, 03:49 PM

জয়ের নায়ক মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এলেন মাসুদ পারভেজ কায়সার। ফর্টিস কোচ বরাবরের মতেই গম্ভীর। গরমের মধ্যে খেলে আসার ক্লান্তি থাকলেও ইব্রাহিমের মুখে হাসির রেখা স্পষ্ট। এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগে ফর্টিসের দারুণ শুরু এনে দেওয়া ইব্রাহিমের প্রশংসা করতে গিয়ে কোচ বললেন ভিন্ন কথা। শুরুতে নাকি তার ভাবনাতেই ছিল না এই ফরোয়ার্ড!

বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় উজবেকিস্তানের দল মুরাস ইউনাইটেডকে মঙ্গলবার ১-০ গোলে হারায় ফর্টিস। এই জয়ে প্রিলিমিনারি রাউন্ড পেরিয়ে মূল পর্বে খেলার টিকেট পেয়েছে তারা।

এই ম্যাচের আগে ফর্টিস কোচ আক্রমণভাগে চেয়েছিলেন রাকিব হোসেন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিমদের। তার শুরুর ভাবনাতেই ছিলেন না ইব্রাহিম। কিন্তু রাকিব, ফাহিমকে না পেয়ে কোচ ফোন করেন ইব্রাহিমকে, মেলে সাড়া। এক মাসের জন্য ধারে আবাহনী থেকে এই ফরোয়ার্ড যোগ দেন ফর্টিসে। কিংস অ্যারেনায় দলের ত্রাতাও তিনি। স্বাভাবিকভাবেই ইব্রাহিমের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হলেন পারভেজ। 

“প্রথমেই ইব্রাহিমের কথাটা বলি। আমার কাছে আসলে বেশি বিকল্প ছিল না। আপনারা জানেন ঢাকা আবাহনী এবং বসুন্ধরার মধ্যে একটা অস্থিরতা যাচ্ছে। জাতীয় দলের খেলোয়াড় যারা আছে, তারা নিজেরাই স্থির না। যার ফলে আমরা যে ফর্টিসে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় নেব, ওই সুযোগটা পাচ্ছিলাম না। আমি ইব্রাহিমের… সত্যি বলতে ও আমার শুরুর ভাবনায় ছিল না।

“আমি বিদেশি খেলোয়াড়দের শুরুতে দলে নিয়েছিলাম। রাকিব, ফাহিম ছিল শুরুর ভাবনায়। যখন ওদের পেলাম না। যখন ইব্রাহিমকে ফোন দেই। আমি চাচ্ছিলাম যারা এএফসি কাপে এর আগে খেলেছে এই ধরনের খেলোয়াড় নিতে। আমার সামনে ছিল তখন ইব্রাহিম বা আল-আমিনকে নেওয়া। আল-আমিনকে নেইনি তার অভিজ্ঞতার কারণে। আমার দরকার ছিল অভিজ্ঞ, এ কারণেই ইব্রাহিমকে নিয়েছিলাম।”

আস্থার প্রতিদান দিতে পেরে উচ্ছ্বসিত ইব্রাহিমও। বললেন, গত চ্যালেঞ্জ লিগে সেমি-ফাইনাল খেলা মুরাসকে সমীহ করলেও নিজেদের প্রতি বিশ্বাসের কমতি ছিল না, বললেন এই ফরোয়ার্ড।

“যেটায় আমরা বিশ্বাস রেখেছি, সেটা হচ্ছে, মুরাস অনেক ভালো দল কিন্তু অজেয় না। এটা আমাদেরকে বিশ্বাস করাতে পেরেছেন আমাদের কোচ। আমরা ৯০ মিনিট পর্যন্ত আমাদের খেলাটা খেলেছি, আপনারা দেখবেন যে আমরা বেশ কয়েকটা সুযোগ তৈরি করেছি। আল্লাহর অশেষ রহমতে গোল করতে পেরেছি। আল্লাহর কাছে হাজার শুকরিয়া।