Published : 07 Sep 2025, 09:14 PM
অসমান মাঠসহ নানা কারণে এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের (এএফসি) নিষেধাজ্ঞা পাওয়া কাঠমাণ্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ খেলার পর খোদ নেপাল কোচ ম্যাট রস মাঠ নিয়ে অসন্তোষ জানালেন। একই অভিযোগ আছে সফরকারী দলের ফুটবলার জামাল-রহমতদেরও। তাই প্রশ্নটা উঠছে-তাহলে কেন এই স্টেডিয়ামে খেলার ঝুঁকি নিল বাংলাদেশ দল?
নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এই মাঠে প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের বাধা নেই। তাই প্রায় দুই বছর পর এই ভেন্যুতেই বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলার সিদ্ধান্ত নেয় নেপাল। আগে সম্মতি দেওয়া বাংলাদেশ শনিবার প্রথম প্রীতি ম্যাচ খেলার পর উপলব্ধি করতে পেরেছে, মাঠের দুরবস্থা।
বড় বড় ঘাস, অসমান পিচ, নিয়মিত পানি না দেওয়ার কারণে যা-তা অবস্থা। এই কারণগুলো উল্লেখ করে বাংলাদেশ দলের ডিফেন্ডার রহমত মিয়া বললেন, এই মাঠ খেলার উপযোগী নয় মোটেও।
“এখানের মাঠের অবস্থা ভালো না। বাইরে থেকে যেমনটা দেখা যায়, ভেতরটা কিন্তু সেই রকম নয়। মাঠটা ভারি ও ধীর গতির, বড় বড় ঘাস পাশাপাশি পানিও দেওয়া থাকে না। সাধারণত আমরা দেশে যখন অনুশীলন করি, তার আগে মাঠে পানি দিয়ে নেই। আগে করেছি কিংস অ্যারেনাতে, এখন জাতীয় স্টেডিয়ামে করি। সবখানেই আমরা অনুশীলন বা ম্যাচের আগে পানি দিয়ে নেই মাঠে দ্রুত হওয়ার জন্য। আর এখানের মাঠ এমনিতেই ভারি, তার সঙ্গে ঘাস বড় আবার পানিও দেয় না।”
এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে টিম ম্যানেজার আমের খানের কণ্ঠে ভর করল অসহায়ত্ব। মঙ্গলবারের দ্বিতীয় প্রীতি ম্যাচের আগে প্রতিকূলতাগুলো কাটিয়ে ওঠার কোনো সম্ভাবনা দেখছেন না তিনি।
“যে অবস্থায় মাঠটা আছে, তাদের কোনো পানি দেওয়ার অটোমেটিক পদ্ধতি নেই। ন্যাচারাল বৃষ্টি আর ম্যানুয়ালি পানি দিয়ে তারা মাঠ ভেজায়। যে ঘাস আর অসমান মাঠ আছে, আমার মনে হয় না সেটা এক দিনে ঠিক করা সম্ভব।”
প্রশ্নটাও এখানে, এমন মাঠে খেলার বিষয়ে কেন সম্মত হয়েছিল বাংলাদেশ? আগামী অক্টোবরে হংকংয়ের বিপক্ষে এশিয়ান কাপের বাছাইয়ের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের প্রস্তুতি নিতে এই প্রীতি ম্যাচগুলো খেলা, তাহলে কেন ঝুঁকিপূর্ণ মাঠে খেলতে রাজি হওয়া। নেপালের দাবি, মাঠের পরিস্থিতি জেনে-বুঝেই নাকি সাড়া দিয়েছে বাংলাদেশ। আমের খান তা মানতে রাজি নন।
“আমার জানা মতে, আমাদের ফেডারেশনের কেউই এ মাঠে এসে ভিজিট করেনি এবং আমার জানা মতে, এমন কোনো ঘটনা (মাঠ পরিদর্শন) হয়নি।”
আরও পড়ুন