১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

১১ পয়েন্টে এগিয়ে গিয়েও সাবধানী বার্সেলোনা কোচ

শিরোপা উদযাপনের সময় এখনও আসেনি, বার্সেলোনার সবাইকে মনে করিয়ে দিলেন কোচ হান্সি ফ্লিক।

১১ পয়েন্টে এগিয়ে গিয়েও সাবধানী বার্সেলোনা কোচ
বার্সেলোনা কোচ হান্সি ফ্লিক। ছবি: রয়টার্স

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 27 Apr 2026, 04:18 PM

Updated : 26 Aug 2026, 03:29 PM

পাঁচ ম‍্যাচ বাকি থাকতে বার্সেলোনা ১১ পয়েন্টে এগিয়ে যাওয়া স্প‍্যানিশ ফুটবলে আলোচনা চলছে, কবে ও কীভাবে শিরোপা লড়াই শেষ হতে পারে। এই আলোচনায় যোগ দিচ্ছেন না হান্সি ফ্লিক। বড় ব‍্যবধানে এগিয়ে থাকলেও মৌসুমের শেষ পর্যায়ে এসে সাবধানী বার্সেলোনা কোচ খেলোয়াড়দের তাগিদ দিয়েছেন ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে।

গেতফের মাঠে শনিবার ২-০ ব‍্যবধানে জয়ে লা লিগার শীর্ষস্থান সুসংহত করেছে বার্সেলোনা। প্রথমার্ধের শেষ দিকে ফের্মিন লোপেস দলকে এগিয়ে নেওয়ার পর দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নেমে ব‍্যবধান বাড়িয়েছেন মার্কাস র‍্যাশফোর্ড। 

৩৩ ম‍্যাচে শিরোপাধারীদের পয়েন্ট ৮৫, সমান ম‍্যাচে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রেয়াল মাদ্রিদের পয়েন্ট ৭৪।

নিজেদের শেষ চার ম‍্যাচে কেবল একটি জয় পেয়েছে রেয়াল, হেরেছে একটিতে, ড্র করেছে বাকি দুটিতে। তাদের পয়েন্ট হারানোর সুযোগ কাজে লাগিয়েছে বার্সেলোনা। ম‍্যাচ শেষে কোচ ফ্লিক বলেছেন, শিরোপা লড়াইয়ের যে নিষ্পত্তি এখনও হয়নি সেটা তাদের ভাবনায় আছে।  

“আমরা জিতেছি এবং আমরা চেয়েছিলাম নিজেদের খেলাটা খেলতে, সেটা করতে পেরেছি। ড্রেসিংরুমে আমরা জয় উদযাপন করেছি, শিরোপা নয়। আমরা কেবল আজকের কাজ শেষ করার দিকে মনোযোগী ছিলাম।”  

“এখানে বল নিয়ে ও বল ছাড়া নিজেদের খেলায় আমি খুশি। আমরা খুব ভালো করেছি, কারণ এখানে কাজটা সহজ নয়। যে প্রাপ্তি আসবে আমরা মৌসুম শেষে সেটা উদযাপন করব, আজ নয়। আজ দল খুব মনোযোগী ছিল এবং খুব ভালো খেলেছে।”

আক্রমণ ভাগে নেই লামিনে ইয়ামাল ও রাফিনিয়া। তাদের অনুপস্থিতিতে গেতাফের মাঠে কাজটা বেশ কঠিন ছিল বার্সেলোনার জন‍্য। তারকা ফরোয়ার্ডদের অনুপস্থিতিতে দলের আত্মবিশ্বাসে চোট লাগারও শঙ্কা ছিল। সেই চাপ জয় করতে পারায় ভীষণ খুশি ফ্লিক।  

“এই দলের বিপক্ষে ভালো খেলার আত্মবিশ্বাস ও মান আমাদের আছে, যা খুব প্রয়োজনীয়। আমরা শুরু থেকেই সেটা মাঠে দেখিয়েছি। সাম্প্রতি সময়ে আমি দলে দারুণ আবহ, ইতিবাচকতা এবং উন্নতির ছাপ দেখছি। ক্লাব ও ভক্তদের জন‍্য আমি খুব খুশি।”