নেত্রকোণায় মুক্তির পরিবারের পাশে ৬৬ সংগঠন, দ্রুত বিচার দাবি
গত ২ মে স্কুল থেকে সহপাঠীদের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে ওই স্কুলছাত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়।
নেত্রকোণার বারহাট্টার স্কুলছাত্রী মুক্তি বর্মণ হত্যায় আসামি বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইনে মামলা নেওয়া ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে ৬৬টি সংগঠন।
এই ৬৬টি সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত ‘সামাজিক প্রতিরোধ কমিটি‘র প্রতিনিধিরা বারহাট্টা থানার ওসি খোকন কুমার সাহা ছাড়াও জেলার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে স্মারকলিপি দিয়েছেন।
এতে মামলাটি সুষ্ঠু তদন্ত করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে অভিযোগপত্র দেওয়া, হত্যাকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, মুক্তি বর্মণের পরিবারকে নিরাপত্তা প্রদানসহ কয়েকটি দাবি তোলা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) হারুন অর রশিদ স্মারকলিপিটি গ্রহণ করে সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দেন।
কমিটির প্রতিনিধিরা বারহাট্টার প্রেমনগর ছালিপুরা গ্রামের মুক্তি বর্মণের বাড়িতে যান। তারা পরিবারটির পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি আর্থিক সহায়তাও দেন।
মানাবধিকার সংগঠন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের আইনজীবী নাহিদা খানম, ফারিয়া মীম, মহিলা পরিষদের শামীমা আফরোজ আইরীন, জনা গোস্বামী, তাহেজা বেগম, অ্যাকশন এইডের নুরুন নাহার, ব্লাস্টের আবুল কাশেম মুসা, আইইডির শ্যামলেন্দু পাল, নারী প্রগতি সংঘের মৃণাল চক্রবর্তী এবং সুরজিত ভৌমিক এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
গত ২ মে স্কুল থেকে সহপাঠীদের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে মুক্তিকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এতে জড়িত থাকার অভিযোগে পরদিন গ্রামের একটি জঙ্গল থেকে সন্দেহভাজন কাওসার মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কাওসার ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠান।
