কেরুর অ্যালকোহলে ৬ মাসে রেকর্ড লাভ
অনেক ক্ষেত্রে চাহিদা অনুযায়ী জোগান দিতে ব্যর্থ হওয়ার তথ্যও পাওয়া যায়।
গত ছয় মাসে চুয়াডাঙ্গার কেরু অ্যান্ড কোম্পানির অ্যালকোহল বিক্রিতে রেকর্ড পরিমান লাভ হয়েছে।
উৎপাদন ও বিপণন বাড়ায় চলতি অর্থ বছরের প্রথম ছয় মাসের হিসাব থেকে এ তথ্য পাওয়া যায়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০২২-২৩ অর্থ বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অ্যালকোহল থেকে ২৩২ কোটি ৯২ লাখ টাকা আয় করে কেরু অ্যান্ড কোম্পানি।
ছয় মাসের আয়ের হিসাবে এই আয় পেছনের সব রেকর্ড ভেঙেছে।
কোম্পানির হিসাব বলছে, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে তারা ৪২ লাখ ৬২ হাজার লিটার অ্যালকোহল বিক্রি করে। ২০২০-২১ অর্থ বছর বিক্রি করে প্রায় ৪৭ লাখ লিটার।
২০২১-২২ অর্থ বছরে উৎপাদন আরও বাড়ে। এ অর্থ বছরে উৎপাদন হয়েছে ৫৩ লাখ ৭৯ হাজার ২৬৮ দশমিক ৫ লিটার।
মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মোশারফ হোসেন।
তিনি জানান, ২০২১-২২ অর্থ বছরে কেরু অ্যান্ড কোম্পানি ৩৬৮ কোটি ৫১ লাখ পাঁচ হাজার ৯৭৪ দশমিক ৫২ টাকার অ্যালকোহল বিক্রি করেছে।
বিক্রি বেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ জানায়, কয়েক বছর ধরে কেরুর উৎপাদিত অ্যালকোহলের চাহিদা বেড়েছে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কোম্পানির এক কর্মকর্তা বলেন, সারা বিশ্বে করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেলে আমদানি কমে আসে। আমদানি করা মদ বিক্রিও কিছুটা কমে যায়। ওই সময় কেরুর মদ বিক্রি বেড়েছে। মদের সরবরাহ অব্যাহত রাখতে কারাখানা কর্তৃপক্ষকে উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগও নিতে হয়েছে।
অনেক ক্ষেত্রে চাহিদা অনুযায়ী জোগান দিতে ব্যর্থ হওয়ার তথ্যও পাওয়া যায়।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, নয় জাতের মদ বাজারজাত করে কেরু অ্যান্ড কোম্পানি । এগুলো হলো: ইয়েলো লেবেল মল্টেড হুইস্কি, গোল্ড রিবন জিন, ফাইন ব্রান্ডি, চেরি ব্র্যান্ডি, ইম্পেরিয়াল হুইস্কি, অরেঞ্জ কুরাকাও, জারিনা ভদকা, রোসা রামে ও ওল্ড রাম।
দেশে কেরু অ্যান্ড কোম্পানির ১৩টি ওয়ারহাউস ও তিনটি বিক্রয়কেন্দ্র আছে। আরও দুটি নতুন বিক্রয়কেন্দ্রের অনুমোদন মিলেছে। এর মধ্যে কক্সবাজার বিক্রয় কেন্দ্রটি চালু হয়েছে।
