২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩
গবেষণায় দেখা গেছে, অকাল মৃত্যু ও জৈবিক বার্ধক্যের ক্ষেত্রে বংশগত জিনের চেয়ে পরিবেশগত প্রভাব ও বিভিন্ন অভ্যাসের ভূমিকা বেশি।
এসব ওষুধ মস্তিষ্কের সেই অংশকে প্রভাবিত করে, যা দেহের আনন্দ বা পুরস্কারের অনুভূতি দেয়, ফলে নেশার প্রতি তীব্র আকাঙ্ক্ষা কমে যায়।
ইতিহাসের কোনো এক সময়ে মানুষ নিজ থেকেই মদ বা নেশাজাতীয় পানীয় তৈরি করতে শিখে গিয়েছিল। এর প্রথম জোরালো প্রমাণ মেলে, প্রায় ১০ হাজার বছর আগের নমুনায়।
বছরের পর বছর পর্যবেক্ষণের পরেও গবেষকরা এমন কোনো ‘অকাট্য প্রমাণ’ খুঁজে পাননি, যা দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়, কেন মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হন।
কেউ দীর্ঘ সময় ধরে অতিরিক্ত অ্যালকোহল পান করলে এই প্রদাহ সহজে সেরে ওঠে না। এ অবস্থাকে বলে ‘ক্রনিক প্যানক্রিয়াটাইটিস’।
গবেষকরা বলছেন, কেবল হামিংবার্ডেই নয়, এমন কিছু পাখির শরীরেও অ্যালকোহল মিলেছে যারা মূলত বীজ, পোকামাকড় বা অন্য ছোট আকারের প্রাণী খায়।
অনিশ্চয়তা শব্দটির ওপর নিয়ন্ত্রণ নেই কারো। প্রত্যেক মানুষই জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে ভোগেন অনিশ্চয়তার দোলাচলে এবং প্রতিক্রিয়া দেখায় ভিন্নভাবে।
অ্যালকোহলের গন্ধে মাছিদের সাড়া দেওয়ার বিষয়টি এদের মস্তিষ্কের তিনটি ভিন্ন নিউরাল সার্কিটের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়।