১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার নামে ‘প্রতারণা’, শিক্ষকের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

গাড়িচালক পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ওই শিক্ষক ২০২৩ সালের শুরুতে প্রার্থীর কাছে থেকে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ নেন বলে জানায় পুলিশ।

বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার নামে ‘প্রতারণা’, শিক্ষকের বিরুদ্ধে পরোয়ানা

পরোয়ানাভুক্ত এস এম সাজ্জাদুল হক সবুজ।

নেত্রকোণা প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 22 Feb 2024, 07:12 PM

Updated : 22 Feb 2024, 07:19 PM

নেত্রকোণার শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গাড়িচালক পদে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে করা প্রতারণার মামলায় এক প্রাথমিক শিক্ষকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত। 

নেত্রকোণার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম মো. কামাল হোসাইন এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন বলে বারহাট্টা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান। 

পরোয়ানাভুক্ত এস এম সাজ্জাদুল হক সবুজ (৫৫) নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলার আশিয়ল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। 

বাদী আল আমিন (২৬) বারহাট্টা উপজেলার বিক্রমশ্রী গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে। 

মামলার বরাতে বৃহস্পতিবার দুপুরে ওসি রফিকুল জানান, শিক্ষক সাজ্জাদুল ও আল আমিন পূর্বপরিচিত। সাজ্জাদুলের পরামর্শে শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়ে গাড়িচালক পদে আবেদন করেন আল আমিন। 

“২০২৩ সালের শুরুতে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে ঘুষ বাবদ পাঁচ লাখ টাকা নেন সাজ্জাদুল। শর্ত অনুযায়ী চাকরি না হলে টাকা ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও তা দেননি তিনি।” 

এ ঘটনায় ৮ ফেব্রুয়ারি নেত্রকোণার অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম মো. কামাল হোসাইনের আদালতে প্রতারণার মামলা করেন আল আমিন। 

বাদী আল আমিন সাংবাদিকদের বলেন, “চাকরির আশায় সাজ্জাদুলকে এলাকার অনেকের সামনে টাকা দিয়েছি। চাকরি না হলে তিনি টাকা ফেরত দেবেন বলেছিলেন। চাকরি হয়নি কিন্তু টাকা ফেরত দিচ্ছেন না। তাই মামলা করেছি।” 

এ বিষয়ে সাজ্জাদুল হক সবুজের বক্তব্য জানতে তার মোবাইল নম্বরে কল করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। 

ওসি রফিকুল বলেন, “দুদিন আগে থানায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এসেছে। সাজ্জাদুল পালাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”