১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪ আশ্বিন ১৪৩৩

নাটোরে অধ্যক্ষের নামে এল বস্তা, ছড়াল বোমার আতঙ্ক

ওই অধ্যক্ষ বলেন, “স্থানীয় একটি চক্র তিন-চার দিন আগে থেকে কলেজ উড়ায় দিব বলে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে। তারাই বিস্ফোরক রেখে গেছে মনে হয়।”

নাটোর প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 17 Jun 2023, 07:29 PM

Updated : 17 Jun 2023, 07:29 PM

নাটোরের গুরুদাসপুরে একটি কলেজের অধ্যক্ষের নামে রেখে যাওয়া বস্তায় আম না বোমা; এ নিয়ে সন্দেহ ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।  

উপজেলার বঙ্গবন্ধু টেকনিক্যাল বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি অ্যান্ড বিজনেস ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট কলেজ অধ্যক্ষের নামে রেখে যাওয়া একটি বস্তা ঘিরে এ অবস্থা বিরাজ করছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত হতে ঢাকার বোম ডিস্পোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে বলে জানান গুরুদাসপুর থানার ওসি মো. মোনায়ারুজ্জামান। 

তিনি বলেন, “অধ্যক্ষ সাইদুল ইসলামের কার্যালয়ের সামনে কে বা কারা একটি প্লাস্টিকের বস্তা রেখে যায়। বস্তাটিতে ‘আম্রপালি আম’ উল্লেখ করে অধ্যক্ষের ঠিকানা ও ফোন নম্বর লিখা আছে। শনিবার সকালে বিষয়টি কলেজ কর্তৃপক্ষের নজরে এলে প্রেরকের নাম-ঠিকানা না থাকায় সন্দেহের সৃষ্টি হয়। পরে তারা পুলিশ ও র‌্যাবকে জানায়। এ নিয়ে আতঙ্ক ও সন্দেহ সৃষ্টি হওয়ায় বোম ডিস্পোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে।”

এ প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন, “রাজশাহী থেকে যে বোম ডিসপোজাল ইউনিট এসেছে তাদের কাছে বোমা শনাক্ত করার পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি না থাকায় ঢাকায় খবর দেওয়া হয়েছে। এলাকায় কঠিন নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।”

এদিকে, বস্তায় লেখা নম্বরে কল দিলে তা রিসিভ করেন অধ্যক্ষ সাইদুল ইসলাম সাইদ।

তিনি বলেন, “স্থানীয় একটি চক্র তিন-চার দিন আগে থেকে কলেজ উড়ায় দিবে বলে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে। তাই তারা বিস্ফোরক রেখে গেছে মনে হয়।”

কারা হুমকি-ধামকি দিচ্ছে, এমন প্রশ্নে ‘সারাদিনের ধকলে’ অসুস্থ্য হয়ে পড়েছেন জানিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকের কাছ থেকে জেনে নিতে বলে তিনি কল কেটে দেন।

সিংড়া-গুরুদাসপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, “বোমা কিনা আমরা এখনও নিশ্চিত হতে পারেনি। নাটোর-রাজশাহী থেকে যে বোম ডিস্পোজাল টিম এসেছিল তাদের কাছে শনাক্তকরণের যন্ত্রপাতির ঘাটতি ছিল। ডিএমপিতে খবর দেওয়া হয়েছে, সেখান থেকে টিম পৌঁছলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।”