Published : 19 Jul 2026, 11:18 PM
নরসিংদী পৌরসভায় ঘরের পাশে গাঁজা সেবনে বাধা দেওয়ায় মা ও ছেলেকে কুপিয়ে-পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ পেয়েছে পুলিশ।
রোববার দুপুরে পৌরসভার বাসাইল পূর্বপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে নরসিংদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুহিদুল ইসলাম জানান।
আহতরা হলেন- বাসাইল এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের স্ত্রী কামরুন নাহার (৩৫) এবং তার ছেলে ফরহাদ হোসেন।
তারা নরসিংদী জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। কামরুন নাহারের মাথায় ১১টি এবং ফরহাদ হোসেনের মাথায় ৩টি সেলাই দিতে হয়েছে বলে পরিবার জানিয়েছে।
ঘটনার জন্য বাসাইল পূর্বপাড়ার জাকির প্রধান (৪৫), বাহার উদ্দিন প্রধান (৪০) এবং মো. আবির প্রধানের (১৯) বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগের বরাতে পুলিশ জানায়, জাকির প্রধান দীর্ঘদিন ধরে কামরুন নাহারের বাড়ির পাশে এসে নিয়মিত গাঁজা সেবন করেন। এতে ধোঁয়া ও দুর্গন্ধে পরিবারের সদস্যরা অতিষ্ঠ। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার প্রতিবাদ করলে গাঁজা সেবনকারীরা হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিলেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, রোববার দুপুরে জাকির প্রধান পুনরায় বাড়ির পাশে গাঁজা সেবন শুরু করলে ফরহাদ হোসেন তাকে বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জাকির প্রধান ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফরহাদের ওপর হামলা চালান।
এ সময় ছেলেকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে কামরুন নাহারের ওপরও হামলা চালানো হয়। লোহার রড ও বাঁশ দিয়ে মা-ছেলেকে এলোপাতাড়ি মারধর করা হয়, এতে তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়।
তাদের চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। পরে প্রতিবেশীরা আহত মা ও ছেলেকে উদ্ধার করে নরসিংদী জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন।
এ ঘটনায় কামরুন নাহার বাদী হয়ে নরসিংদী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
নরসিংদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মুহিদুল ইসলাম বলেন, “অভিযোগটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। সত্যতা পাওয়া গেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”