সিত্রাং: টেকনাফে মিয়ানমারের নাগরিক ও শিশুর মৃত্যু
আকিয়াব শহরের ঢৌমিংয়ে ছেলে শৌমিং মিয়ানমার থেকে আসা জাহাজের পাচক ছিলেন।
ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের মধ্যে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দরে আসা একটি জাহাজে মিয়ানমারের এক নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।
এছাড়া ঝড়ের মধ্যে টেকনাফ পৌরসভায় একটি পুকুর থেকে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
টেকনাফ স্থলবন্দরের মহাব্যবস্থাপক মো. জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, মৃত শৌমিং (৭১) মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের আকিয়াব শহরের ঢৌমিং এর ছেলে; তিনি ওই জাহাজের পাচক ছিলেন।
জসিম উদ্দিন জানান, এক সপ্তাহ আগে মিয়ানমার থেকে পণ্য নিয়ে আসা জাহাজটি টেকনাফ বন্দরে অবস্থান করছিল। সোমবার রাতে শৌমিং রান্নার কাজ শেষে জাহাজে থাকা অন্যদের খাবার তুলে দিচ্ছিলেন।
“এ সময় ঝড়ো হওয়ার কবলে পড়ে তিনি ডেক থেকে নিচে পড়ে যান এবং ঘটনাস্থলে মারা যান।”
মৃতদেহ জাহাজে রয়েছে জানিয়ে জসিম বলেন, মঙ্গলবার মৃতদেহ নিয়ে জাহাজটি মিয়ানমারের উদ্দেশ্যে যাত্রা দেওয়ার কথা রয়েছে।
সোমবার ঝড়ের মধ্যে টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়ায় একটি পুকুরে পড়ে এক শিশু মারা গেছে।
নিহত সোহেনা (৯) পৌরসভার জালিয়াপাড়ার বাসিন্দা জাফর আলমের মেয়ে।
সোহেনার বাবা জাফর আলম জানান, ঝড়বৃষ্টির মধ্যে সোমবার বিকাল ৪টার দিকে পুকুরের পাড় দিয়ে যাওয়ার সময় সোহেনা পুকুরে পড়ে নিখোঁজ হয়। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে পুকুরে তার লাশ পাওয়া গেছে।
টেকনাফ পৌরসভার ৯ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নুরুল বশর নওশাদ জানান, পুকুরে ডুবে এক শিশু মারা গেছে। মঙ্গলবার পুলিশ লাশ উদ্ধার করেছে।
