Published : 13 Dec 2022, 03:16 PM
রংপুর সিটি নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভাল থাকবে এবং কোনো প্রতিবন্ধকতা থাকবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী হাবিবুল আউয়াল।
সিইসি বলেন, “রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো থাকবে, কোনো অবনতি ঘটবে না- রংপুরে যারা আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে আছেন তারা আমাদের আশ্বস্ত করেছেন। তাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি আছে।
“কমিশন মনে করে এই নির্বাচনে ভোটাররা কোনো বাধার সম্মুখীন হবেন না। এ ছাড়া কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে না।”
মঙ্গলবার দুপুর ১টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের মিলনায়তনে রংপুর সিটি কপোরেশনের নির্বাচন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সঙ্গে সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন সিইসি।
এ সময় তিনি জানান, নির্বাচনের ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া সিসি ক্যামেরা দিয়ে ঢাকা ও রংপুর থেকে পর্যবেক্ষণ করা হবে। কোথাও কোনো সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
“শুধু তাই নয়, দায়িত্বরত পোলিং এজেন্টকেও পর্যবেক্ষণ করা হবে। তারা কোনো সমস্যা করলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে প্রিসাইডিং অফিসারদের দায়িত্ব নিতে হবে নির্বাচনকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য।”
এ সময় সিইসি নগরবাসীকে আবারও নির্ভয়ে-নির্বিঘ্নে এবং বিশ্বাস নিয়ে ভোটকেন্দ্রে আসার আহ্বান জানান।
বিএনপিকে আগামী জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, “কমিশনের সব সময় ইচ্ছা সব দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। তাই সব দলের প্রতি আহ্বান, আপনারা সবাই নির্বাচনে আসুন।”
“বিশেষ করে বিএনপি নির্বাচনে এলে আমরা খুশি হব। আমরা চাই, প্রতিটি দল নির্বাচনে এসে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করুক।”
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল (অব.) আহসান হাবিব খান, কমিশন সচিব জাহাঙ্গীর আলম, রংপুর বিভাগীয় কমিশনার সাবিরুল ইসলাম, রংপুর মহানগর পুলিশ কমিশনার নুরে আলম মিনা, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব আবদুল বাতেন, জেলা প্রশাসক ড. চিত্রলেখা নাজনীন, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা জি এম সাহতাব উদ্দিন।
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সিটিতে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২৭ ডিসেম্বর সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এতে ২ লাখ ১২ হাজার ৩০২ জন পুরুষ এবং ২ লাখ ১৪ হাজার ১৬৭ জন নারী ভোটার ২২৯টি কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন। এবার মেয়র পদে নয় জনসহ মোট ২৫৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২০১৭ সালের ২১ ডিসেম্বর এ সিটিতে সর্বশেষ নির্বাচন হয়েছিল। ওই নির্বাচনে একটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম) ভোটগ্রহণ করা হলেও এবার পুরো সিটির ২২৯টি কেন্দ্রে ইভিএমে ভোটগ্রহণ করবে নির্বাচন কমিশন।