১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

মৃদু শৈত্যপ্রবাহে কাঁপছে পঞ্চগড়, তাপমাত্রা নামল ৯ ডিগ্রিতে

পাথর শ্রমিকরা বলেন, নদীর পানিও বরফ হয়ে থাকে। পাথর তুলতে গেলে খুবই কষ্ট হয়।

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 17 Dec 2024, 07:34 PM

Updated : 26 Aug 2026, 11:08 AM

দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে শীতের তীব্রতা বাড়ছেই। টানা পাঁচ দিন ধরে জেলায় মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে চলেছে।

মঙ্গলবার সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এটিই দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানিয়েছেন তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় জানান।

সোমবার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ৯ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে শুক্রবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রিতে নেমে শুরু হয় চলতি শীত মৌসুমের প্রথম মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।

বড় এলাকাজুড়ে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তাকে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ ধরা হয়; ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি এবং ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।

শীত অনুভূত হলেও পঞ্চগড়ে প্রতিদিনই সকালে সূর্যের দেখা মিলছে। মঙ্গলবার সকালেও ঝলমলে রোদ ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে।

প্রতিদিন দুপুরের পর হালকা কুয়াশার সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাসে হাড় কাপানো শীত অনুভূত হয়। এ আবহাওয়ায় দিনমজুর, কৃষি শ্রমিক ও রিকশা ভ্যান চালকসহ খেটে খাওয়া মানুষের দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।  

পাথর শ্রমিক মোজ্জামেল বলেন, “সবচেয়ে শীত মনে হয় গভীর রাত থেকে সকাল পর্যন্ত। সকাল ৯টা পর্যন্ত কনকনে শীতের প্রভাব থাকে।”

নদীর পানিও বরফ হয়ে থাকে। পাথর তুলতে গেলে খুবই কষ্ট হয় বলে পাথর শ্রমিক কছিরুল ও খাদেমুল জানান।

আবহাওয়া কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, “১৩ ডিসেম্বর থেকে এ জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চলতি সপ্তাহে দিন ও রাতের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।