১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

টাঙ্গাইলে সা’দপন্থিদের জেলা ইজতেমা শুরু

শুক্রবার ১৫ হাজারের বেশি মুসুল্লি জুমার নামাজে অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করছেন ইজতেমার আয়োজকরা। 

টাঙ্গাইলে সা’দপন্থিদের জেলা ইজতেমা শুরু

সদর উপজেলার করটিয়া ইউয়িনের ভাতকুড়া গ্রামে এই ইজতেমা শুরু হয়েছে।

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 16 Feb 2023, 06:32 PM

Updated : 16 Feb 2023, 06:32 PM

টাঙ্গাইল সদরে শুরু হয়েছে তাবলিগ জামাতের মাওলানা সা’দের অনুসারীদের জেলা ইজতেমা।

বৃহস্পতিবার ফজরের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে সদর উপজেলার করটিয়া ইউয়িনের ভাতকুড়া গ্রামে এই ইজতেমা শুরু হয় বলে জানিয়েছেন আয়োজক কমিটির খাদেম মুফতি মোস্তফা খলিল চৌধুরী।

এর আগে জেলায় এই ইজতেমা আয়োজন বন্ধে প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়েছিল তাবলিগের জুবায়েরপন্থিরা। তা নিয়ে উত্তেজনার সৃষ্টি হলেও বৃহস্পতিবার শান্তিপূর্ণভাবেই সা’দপন্থিদের ইজতেমা কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ইজতেমা মাঠ গিয়ে দেখা যায়, মাঠ জুড়ে প্যান্ডেল তৈরি করা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আসা কয়েক হাজার মুসুল্লি সেখানে অবস্থান করছেন। নিরাপত্তার জন্য সেখানে পুলিশ দায়িত্ব পালন করছে। সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে পুরো এলাকা।

মুফতি মোস্তফা খলিল জানান, ফজরের পর থেকে ইজতেমার মূল আমল শুরু হয়েছে। ফজর থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত তিনি প্রথমে বয়ান করেন। এরপর সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত তালিমের মৌজ নিয়ে আলোচনা করেন মুফতি শহিদুল্লাহ।

এরপর বিদেশি মেহমানরা পুরো ইজতেমা মাঠকে ২০ ভাগ করে আলাদা আলাদা তালিম করেছেন। যোহরের পর সৌদি আরবের মেহমান শেখ মোহাম্মদ আল খামিদ বয়ান করেন।

এছাড়া আছরের পর ঢাকার মাওলানা এহসান, মাগরিবের পর ঢাকার মুফতি ওসামা ইসলাম বয়ান করবেন বলে তখন তিনি জানিয়েছিলেন।

তিনি আরও জানান, ইজতেমার প্রধান মাঠে ১২ হাজার মুসুল্লির জায়গা করা হয়েছে। এছাড়াও আশেপাশের মাঠে আরও প্রায় তিন হাজার মুসুল্লির জায়গা করা হয়েছে।

শুক্রবার ১৫ হাজারের বেশি মুসুল্লি জুমার নামাজে অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করছেন এই মাওলানা। 

এদিকে এই ‘ইজতেমায় ইসলামের অপব্যাখ্যা করে মুসলমানদের মধ্যে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হবে’ অভিযোগ করে বুধবার টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন তাবলীগের মাওলানা জুবায়েরের অনুসারীরা।  

তারা ইজতেমার বন্ধের দাবিতে টাঙ্গাইল শহরের মারকাজ মসজিদ প্রাঙ্গনে অবস্থান কর্মসূচিও শুরু করে। তবে বুধবার রাতেই তারা অবস্থান কর্মসূচি ছেড়ে চলে যান।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার জুবায়েরপন্থি অংশের নেতা ও জেলা কওমী ওলামা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতি শামছুল হক কাসেমী বলেন, “আমাদের এখন আর কোনো কর্মসূচি নেই।”