গোপালগঞ্জে ‘ধর্ম অবমাননায়’ হামলা, ঘটনাস্থলে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিনিধি

পরিদর্শনকালে শহীদ উল্লা খন্দকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তার আশ্বাস দেন।

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 20 Jan 2023, 12:50 PM
Updated : 20 Jan 2023, 12:50 PM

ফেইসবুকে ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রতিনিধি শহীদ উল্লা খন্দকার। 

বৃহস্পতিবার পরিদর্শনকালে তার সঙ্গে আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দও ছিলেন। 

গত রোববার রাতে উপজেলার কান্দি ইউনিয়নের উত্তরকান্দি গ্রামের অনাদি অধিকারীর ছেলে অপু ওরফে আবির অধিকারীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে তিনটি বাড়িতে ভাংচুর চালায় একদল লোক। 

অপু ওরফে আবির অধিকারী মহানবী হযরত মুহাম্মদকে (সা.) কটূক্তি করে ফেইসবুকে পোস্ট দেন বলে হামলাকারীদের অভিযোগ।  

পরিদর্শনকালে সাবেক সচিব শহীদ উল্লা খন্দকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের উদ্দেশে বলেন, “আপনাদের কোনো ভয় নেই, আওয়ামী লীগের সরকার সব সময় আপনাদের পাশে রয়েছে।” 

এর আগে ঘটনার রাতেই প্রধানমন্ত্রীর এই প্রতিনিধি এলাকার সার্বিক খোঁজখবর নেন। তার নির্দেশনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফেরদৌস ওয়াহিদ ও কোটালীপাড়া থানার ওসি জিল্লুর রহমান ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

পরিদর্শনকালে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, দপ্তর সম্পাদক মিজানুর রহমান তাজ বুলবুল, দলের কান্দি ইউনিয়ন সভাপতি শিক্ষক মনীন্দ্র নাথ রায়, সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি চেয়ারম্যান তুষার মধু, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামসহ স্থানীয় নেতারা তার সঙ্গে ছিলেন। 

এ ছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে ইউএনও ফেরদৌস ওয়াহিদ ও কৃষি অফিসার নিটুল রায় উপস্থিত ছিলেন। 

ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্য সন্তোষ অধিকারী, মাখন অধিকারী, বিবেক অধিকারী ও তাদের বাড়ির লোকজন বলেন, অনাদি অধিকারী ও তার ছেলে অপু ওরফে আবির অধিকারী ‘খুব খারাপ’ মানুষ। তাদের সঙ্গে এই বাড়ির কোনো লোকের ভালো সম্পর্ক ছিল না; যার কারণে অনাদি তার ছেলেকে ভারতে পাঠিয়ে দিয়েছেন। এরপর অনাদি ঘর-বাড়ি, জায়গাজমি সবকিছু বিক্রি করে চলে যান। 

স্থানীয়রা জানান, অপু সাত বছর আগে ভারত চলে যান। বর্তমানে তিনি উত্তর প্রদেশে থাকেন। ছয় মাস আগে অপুর মা ও ভাই-বোন ভারত চলে যান।  কিছু দিন আগে তার বাবা বসতবাড়ি ও সব জায়গাজমি বিক্রি করে ভারত চলে গেছেন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক