Published : 06 Feb 2025, 02:12 PM
প্রতারণার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত সিরাজগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের এক নেতাকে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
ওলামা দলের জেলার সাধারণ সম্পাদক শেখ এনামুল হককে বুধবার বিকালে সিরাজগঞ্জ জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক মো. বিল্লাল হোসেন কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী শাহ আলম ডেভিড জানান, এনামুল হকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। বুধবার তিনি আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিচারক আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এনামুল হক সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সহদপ্তর সম্পাদক এবং সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। এ ছাড়া তিনি দৈনিক আমাদের বাংলা পত্রিকার সিরাজগঞ্জের ব্যুরো চিফ ও জেলা বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য। তিনি সদর উপজেলার খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের পাঁচিল গ্রামের বাসিন্দা।
মামলার বরাত দিয়ে আইনজীবী বলেন, এনামুল হক শহরের বনবাড়িয়া এলাকার মিশাম এগ্রো ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড ও মিশাম ফিডস্ লিমিটেডের মানি অ্যান্ড ব্যাংকিং অ্যাসিসস্টেন্ড অফিসার পদে কর্মরত ছিলেন। ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে কোম্পানির প্রায় ১৬ লাখ টাকা ব্যাংক থেকে উত্তোলন করে আত্মসাত করেন।
এ ঘটনায় কোম্পানির পক্ষ থেকে এনামুল হকের বিরুদ্ধে প্রতারণার মামলা হয়। ২০১৯ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর ওই মামলায় আদালত তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেয়। ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন এনামুল। শুনানি শেষে ২০২৩ সালের ২১ জুন জেলা যুগ্ম জজ আদালতের বিচারক নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখেন। এরপর আদালত তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল।
আইনজীবী শাহ আলম ডেভিড বলেন, একই কোম্পানির দায়ের করা আরেকটি প্রতারণার মামলায় এনামুলের তিন বছরের কারাদণ্ড হয়েছে। ২০১৬ সালের ১৩ এপ্রিল কোম্পানির দুটি চেকের মাধ্যমে চার লাখ ২০ হাজার টাকা উত্তোলন করে এনামুল আত্মগোপন করেন। এ বিষয়ে কোম্পানির স্টোর অফিসার শাকিল উদ্দিন অর্থ আত্মসাত ও প্রতারণার অভিযোগে মামলা করেন। ২০১৮ সালের ৩১ মে ওই মামলায় আদালত তাকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেয়।