১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩ আশ্বিন ১৪৩৩

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি দপ্তরে শিক্ষকের ওপর হামলার অভিযোগ

হামলার ঘটনার পরপরই শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যেও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি দপ্তরে শিক্ষকের ওপর হামলার অভিযোগ
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

সিলেট প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 15 Feb 2026, 03:54 PM

Updated : 26 Aug 2026, 02:57 PM

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বিভিন্ন অনিয়মের প্রতিবাদ করায় এক শিক্ষকের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে।

রোববার দুপুরের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির দপ্তরে এ ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদা দলের শিক্ষক সমিতির সহসভাপতি অধ্যাপক মোজাম্মেল হক। 

তিনি বলেন, “উপাচার্য অধ্যাপক আলিমুল ইসলামের বিভিন্ন প্রশাসনিক অনিয়মের বিষয়ে প্রশ্ন ও প্রতিবাদ জানালে হঠাৎ করেই প্রফেসর মোহাম্মদ মাহবুব ইকবালকে লক্ষ্য করে আক্রমণ করা হয়। 

“হামলায় নেতৃত্ব দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর জসিম উদ্দিন আহমেদ, প্রফেসর সামিউল আহসান তালুকদার, প্রফেসর মাসুদুর রহমান, প্রফেসর মুক্তার হোসেন, প্রফেসর রাশেদ আল মামুনসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।”

ভুক্তভোগী শিক্ষক মাহবুব ইকবাল বলেন, “হামলায় আমার ঠোঁট ফেটে গেছে। আমি ডাক্তার দেখিয়ে রেস্টে আছি। এটি পরিকল্পিত হামলা। 

“নির্বাচনের দুই দিন আগে উনি (ভিসি) অ্যাডহক নিয়োগ দিয়েছেন। রাতের অন্ধকারে অনেক অনিয়ম করে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৫ থেকে ২০ জন কর্মচারীকে অ্যাডহক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এটা উনি পারেন না, কারণ নিষেধ রয়েছে। সেটার প্রতিবাদ জানাতে গিয়েই হামলার শিকার হয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, “উনি যে অনিয়ম করছেন, সেগুলো বলার জন্য মূলত আমরা সাদা দলের শিক্ষকরা গিয়েছিলাম। তখন উনার ক্যাডার বাহিনী আমাদের উপর আক্রমণ করে। তাদের আক্রমণে আমার ঠোঁট ফেটে গেছে।” 

এদিকে, হামলার ঘটনার পরপরই শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যেও চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

অনেক শিক্ষক একে মতপ্রকাশের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবে উল্লেখ করে দোষীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান। শিক্ষকদের একটি অংশ জরুরি বৈঠকের প্রস্তুতিও নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

এই বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আলিমুল ইসলামের ব্যবহৃত নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেনি।

এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. আসাদ-উদ-দৌল্লা ব্যবহৃত নম্বরে কল করা হলে তিনিও সাড়া দেননি।