রাবিতে ট্রাকচাপায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু: ট্রাকে আগুন, সড়ক অবরোধ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্রাকচাপায় এক শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছেন; আহত হয়েছেন আরও একজন।
মঙ্গলবার রাত ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ হবিবুর রহমান হলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মাহবুব হাবিব হিমেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাফিক ডিজাইন ও কারুশিল্প বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী।
আহত চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রায়হান রিমেলকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
দুর্ঘটনার পর শিক্ষার্থীরা ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেছে।
সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, দুর্ঘটনার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ৪/৫টি ট্রাকে অগ্নিসংযোগ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের সামনে ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কে অবস্থান নেন।
একদল শিক্ষার্থী উপচার্যের বাসভবনের সামনে এবং আরেকদল ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক অবরোধ করেছে।
উপাচার্যের বাস ভবনের সামনে অবস্থান থেকে শিক্ষার্থীরা সাত দফা দাবি তুলে আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছেন।
সেখানে থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাহমুদ সাকী এই ঘটনাকে ‘দুর্ঘটনা’ না বলে ‘হত্যাকাণ্ড’ হিমেবে আখ্যায়িত করেছেন।
# এটাকে কোনোভাভেই আমরা অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু বলছি না, এই হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট ও সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে সুবিচার নিশ্চিত করতে হবে;
# ভিক্টিমের পরিবারকে সর্বনিম্ন ১০ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে; সেই সাথে আহত দুজনের চিকিৎসার যাবতীয় খরচ বহন করতে হবে; তা ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে নিশ্চিত করতে হবে;
# অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয়কে এই হত্যাকাণ্ডের মামলার বাদী হতে হবে;
# হিমেল হত্যাকাণ্ড কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; এটি ক্যাম্পাসের প্রতিনিয়ত চলমান নিরাপত্তাহীনতা, অনিয়ম, দুর্নীতি, বিশৃঙ্খলা, ও প্রশাসনিক ব্যর্থতার চূড়ান্ত বহিপ্রকাশ
# চলমান এই নিরাপত্তাহীনতা ও ব্যর্থতার দায় নিয়ে ‘অযোগ্য’ প্রক্টরকে অবিলম্বে পদত্যাগ করতে হবে;
# ভিক্টিমের পরিবারের কোনো এক সদস্যকে স্থায়ীভাবে চাকরির ব্যবস্থা করতে হবে;
# তিন গেইটে তিনটি ফুট ওভার ব্রিজ নির্মাণ করতে হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে কথা বলা যায়নি।
