Published : 10 Dec 2016, 03:43 PM
তবে এ ঘটনায় সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।
শনিবার দুপুরে নাসিরনগরে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে নগদ অর্থ ও ত্রাণ সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা করেন।
ফেইসবুকে ধর্মীয় অবমাননার অভিযোগ তুলে গত ৩০ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় ১৫টি মান্দরে ভাংচুর ও অন্তত দেড়শ বাড়িঘরে হামলা-লুটপাট চালানো হয়।
‘হিউম্যান রাইটস সেন্টার ফর বাংলাদেশের’ অর্থায়নে নাসিরনগর রামকৃষ্ণ আশ্রমের উদ্যোগে স্থানীয় দত্তবাড়ি চত্বরে ত্রাণ বিতরণ করা হয়।ধ্রুবেশানন্দ বলেন, মুষ্টিমেয় কিছু স্বর্থন্বেষী লোক ব্যক্তিস্বার্থের জন্য হিন্দুদের উপর হামলা চালিয়ে নাসিরনগরবাসীর উপর কলঙ্ক লেপে দিয়েছে।
তবে সমাজ ও দেশ যদি এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করতে না পারে তাহলে বাংলাদেশে একদিন ‘তুরস্ক’, ‘পাকিস্তান’ ও ‘আফগানিস্তানের’ পরিণতি ঘটবে বলে তিনি মনে করেন।
তাই এ ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেজন্য সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
নাসিরনগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাতি কাজল জ্যোতি দত্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রাণ সহায়তা প্রদান অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বামী শান্তিকরানন্দ মহারাজ, অধ্যাপক কল্যাণময় সরকার, নাসিরনগর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মনির হোসেন, সাংবাদিক পীযূষ কান্তি আচার্য প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে রসরাজের পরিবারসহ ক্ষতিগ্রস্ত ৮০টি পরিবারের মাঝে নগদ দুই হাজার টাকা, লেপ, থালা-বাটি, ধূতি, লুঙ্গি ও শাড়ি প্রদান করা হয়।