Published : 31 Mar 2026, 03:10 PM
দেশজুড়ে জ্বালানি তেলের সংকটের মধ্যে মানিকগঞ্জের বিভিন্ন পাম্পে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে কাগজপত্র যাচাই করে তেল দেওয়া হচ্ছে।
মানিকগঞ্জ ট্রাফিক পুলিশের সার্জেন্ট আশরাফুল আশফাক জানান, মঙ্গলবার সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে মোটারসাইকেল চালকদের কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখে তেল দেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, “মূলত ফিলিং স্টেশনে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা এ কাজ করছি।”
এদিকে সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন পেট্রোল পাম্পে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। প্রত্যেক চালকের তেল দেওয়ার আগে গাড়ির কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স পরীক্ষা করা হচ্ছে।
এছাড়া সংকটের কারণে মোটরসাইকেল চালকদের ২০০ টাকার মধ্যে তেল বিক্রি সীমিত করে দেওয়া হয়েছে।
পাম্প মালিকরা বলছেন, ডিপো থেকে অর্ধেকেরও কম তেল সরবরাহ করা হচ্ছে। তাও আবার একদিন পর পর রেশনিং পদ্ধতিতে।

শহরের এম এ সাত্তার ফিলিং স্টেশন, গুডলাক ফিলিং স্টেশন, রহমান ফিলিং স্টেশনে প্রতিদিনই তেল পাওয়া গেলেও চাহিদার তুলনায় অনেক কম বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকার ‘এম এ সাত্তার’ ফিলিং স্টেশনের স্টাফ আমিনুল ইসলাম বলছেন, “আগে প্রতিনিদিন তিন হাজার লিটার পেট্রোল পেতাম।
“অথচ এখন তিনদিন আগে সাড়ে চার হাজার লিটার পেট্রোল পেয়েছি। প্রতিদিনই আমরা তেল দিচ্ছি, তবে চাহিদা অনেক। আর একই ব্যক্তি দুইবার-তিনবার তেল নিচ্ছে।”
ঘিওর উপজেলার বানিয়াজুরি ইউনিয়নের সালমান হোসেন বলেন, “আগে শহরে গিয়ে একবারে এক সপ্তাহের জন্য পনের’শ টাকার পেট্রোল বাইকে ভরতাম।
“এখন কোনো ফিলিং স্টেশনে এত টাকার তেল একবারে দিচ্ছে না। তার ওপর পাম্প ছাড়া খোলা বাজারে তেলা পাওয়া যাচ্ছে না।”
তিনি বলেন, “প্রতিদিন ২০০ টাকার পেট্রোলে কিছুই হয়না। বরং প্রতিদিন শহরে এসে তেল ভরতে হয়রানি হয়।”