Published : 12 Aug 2026, 10:16 PM
বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলায় বোমা বিস্ফোরণে আহত নারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
নিহত হনুফা বেগম (৫০) উপজেলার দুধল মৌ গ্রামের বাসিন্দা মৃত মো. শাহ আলম হাওলাদারের স্ত্রী।
জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) আলাউল হাসান বলেন, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হনুফা বেগম মারা গেছেন। তার মেয়ের জামাই সুজন এটি জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, হনুফা বেগমের লাশের ময়নাতদন্ত শাহবাগ থানা করবে। এ ঘটনায় বাকেরগঞ্জ থানায় করা মামলায় হত্যার ধারা সংযোজন করা হবে।
মামলার বরাতে পুলিশ জানায়, ৩ অগাস্ট সকালে হনুফা বেগম, তার মেয়ে ইতি ও নাতি ফাহিম হাঁটতে বের হন। তখন তারা ঘরের পাশে তিনটি চিপসের প্যাকেট একটি রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় দেখতে পান। এর নিচে আরেকটি নতুন বাজারের ব্যাগ ছিলো। সেটি চিপসের সঙ্গে রশি দিয়ে বাঁধা ছিল।
বিষয়টি দেখতে যাওয়ার সময় ইতি ইটের সঙ্গে আঘাত পেয়ে রশিতে টান মারেন। তখন হঠাৎ করেই ওই স্থানে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে তিনজনের শরীরে আগুন লেগে যায়। তখন তিনজনই নদীতে ঝাঁপ দেন।
ঘটনার পর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তিনজনকে ঢাকায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। এ ঘটনায় হনুফা বেগমের ছেলে জামাল হাওলাদার বাদী হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে বিস্ফোরক আইনে মামলা করেন।
ঘটনার দিন পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান বোমা বিশেষজ্ঞদের বরাতে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, “বিস্ফোরক ও পেট্রোলের সংমিশ্রনে হাতে বানানো বোমা ছিলো সেটি। তবে কী কারেণে রাখা হয়েছে, সেই রহস্য উদ্ধার হয়নি।”