নোয়াখালীতে দোকানে ঢুকল তেলের লরি: বাবার পর এবার ছেলের মৃত্যু
এ ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা হয়েছে। ট্রাক চালককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং লরিটি থানায় জব্দ রয়েছে।
নোয়াখালীর কবিরহাটে তেলবাহী লরি চাপায় সার ব্যবসায়ীর মৃত্যুর ছয়দিন পর গুরুতর আহত হওয়া ছোট ছেলেও মারা গেছেন।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন কবিরহাট থানার ওসি মো. নিজামুল উদ্দিন ভুঁইয়া।
নিহত সাইদুর রহমান (২০) নোয়াখালী সরকারি কলেজের অনার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন।
এর আগে শুক্রবার সকাল ১১টার দিকে সোনাপুর-কবিরহাট সড়কের সোন্দলপুর ইউনিয়নের ট্রান্সমিটার এলাকায় যমুনা ওয়েলের একটি তেলবাহী লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের দোকানে ঢুকে পড়ে।
এতে ঘটনাস্থলেই নিহত হন শফিকুর রহমান (৬২)। গুরুতর আহত হন শফিকুর রহমানের দুই ছেলে সাইফুল ইসলাম (২৩), সাইদুর রহমান ও স্থানীয় ব্যবসায়ী সোহাগ।
দুর্ঘটনার পর শফিকুরের দুই ছেলেকে প্রথমে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সাইদুরের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়।
কবিরহাট থানার ওসি নিজামুল উদ্দিন ভুঁইয়া বলেন, “বেলা ১১টার দিকে সাইদুরের মৃত্যুর বিষয়টি জেনেছি। এ ঘটনায় সড়ক পরিবহন আইনে মামলা নেওয়া হয়েছে। ট্রাক চালককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং লরিটি থানায় জব্দ রয়েছে।”
এদিকে কয়েক দিনের ব্যবধানে বাবা-ছেলের মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
আগের খবর
