Published : 02 Apr 2026, 04:41 PM
প্রায় ১৬ ঘণ্টা পর সিলেট বিভাগের সব পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনে ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার করেছেন মালিক-শ্রমিকরা।
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে বৈঠক শেষে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন পেট্রোলিয়াম ডিলারস ডিস্ট্রিবিউশন এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সভাপতি জুবায়ের আহমদ চৌধুরী।
ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে জরিমানা আদায়ের প্রতিবাদসহ বিভিন্ন হয়রানির অভিযোগে বুধবার রাত ১০টা থেকে সিলেট বিভাগের সব পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনে ধর্মঘট আহ্বান করা হয়।

পরে ভোর রাত ৩টার দিকে পেট্রোল পাম্প মালিক সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রিয়াসাদ আদনান ধর্মটে স্থগিতের ঘোষণা দিলেও তা শোনেননি অন্য পাম্প মালিকরা। এতে রাত থেকে বন্ধ ছিল সিলেটের সব পাম্পে তেল ও গ্যাস বিক্রি।
বৃহস্পতিবার সকালে সিলেটের সব পাম্পে গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। ভোরে থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে তেল ও গ্যাস না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেক চালক। হঠাৎ ডাকা এ ধর্মঘটের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন করেন কেউ কেউ। তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারেননি।
সমস্যা সমাধানে দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জ্বালানি তেল ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সিলেট জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের সভাপতিত্বে এতে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেটের পুলিশ সুপার যাবের সাদেক, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ রাজনৈতিক দলের নেতা ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা অংশ নেন। বৈঠকে পেট্রোল পাম্প মালিক সংগঠনগুলোর শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে উভয়পক্ষ নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন এবং চলমান সংকট নিরসনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
পেট্রোলিয়াম ডিলারস ডিস্ট্রিবিউশন এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক হুমায়ূন আহমেদ হুমায়ূন আহমেদ বলেন, প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর ব্যবসায়ীদের হয়রানি না করার আশ্বাসে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে।
এ মুহূর্ত থেকে সিলেটের সব পাম্প ও সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনে তেল ও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে বলে জানান তিনি।