Published : 19 Sep 2024, 06:15 PM
নেত্রকোণায় একটি দোকানের জায়গা দখল নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে দুজন গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার রাতে কেন্দুয়া পৌর শহরের মধ্যবাজারে এই সংঘর্ষ হয় বলে কেন্দুয়া থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান।
আহদের মধ্যে পাঁচজনের নাম-পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন-কেন্দুয়া উপজেলার বাট্টা গ্রামের লিটন খানের ছেলে রনি খান (২২), আব্দুল কদ্দুছের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৩), গোলাম মোস্তাফা খানের ছেলে রাজন খান, কান্দিউড়া গ্রামের অনছার উদ্দিনের ছেলে বাবর উদ্দিন ও অবিকুল মিয়া।
কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক অনুপ কুমার সরকার বলেন, তার হাসপাতালে ২৫ জনের মতো চিকিৎসা নিয়েছেন। পাঁচজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিরা চিকিৎসা নিয়েছেন বিভিন্ন হাসপাতালে।
আহতদের মধ্যে রনি খান ও রফিকুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছেন বলে ধারণা অরুপের।
ঘটনার বর্ণনায় ওসি মিজানুর বলেছেন, “একটি দোকানের মালিকানা দখল নিয়ে স্থানীয় বিএনপির দুই পক্ষের বিরোধ চলছিল। এর জেরে বুধবার রাত ৮টার দিকে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তাদের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে।
“প্রায় দুই ঘণ্টা সংঘর্ষ চলার পর রাত ১০ টার দিকে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।”
এ ঘটনায় থানায় কোন পক্ষ মামলা করেনি জানিয়ে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, “কাউকে আটকও করা হয়নি। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।”
কেন্দুয়া উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সাইফুল আলম বলেন, জামাল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তির দোকান অন্যায়ভাবে দখল করতে গেলে দিগদাইর ও বাট্টা গ্রামবাসী দুই পক্ষ হয়ে সংঘর্ষে জড়ান। তখন রনি খান ও রফিকুল ইসলাম গুলিবিদ্ধ হন।”
সংঘর্ষের ঘটনাটি বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিষয় নয় বলে দাবি করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নেত্রকোণা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম হিলালী।
তিনি বলেন, “যুবলীগের কর্মী আলামিন জোর করে একটি দোকান দখল করতে গেলে দিগদাইর ও বাট্টা গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এটা বিএনপির দলীয় বিষয় নয়।”