বৃহস্পতিবার সিলেটে ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
Published : 29 Dec 2022, 11:34 PM
ব্যয় বাড়ানোর জন্য উন্নয়ন কাজ বিলম্বিত করা হয় বলে মনে করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
বৃহস্পতিবার সকালে সিলেটে তিনি ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন।
এই বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালের কাজের ধীর গতিতে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
মোমেন সাংবাদিকদের বলেন, টাকা বেশি পাওয়ার আশায় বাংলাদেশিরা প্রকল্প দীর্ঘায়িত করে, কিন্তু বিদেশিরা প্রকল্পে দেরি করে, সেটি তার জানা ছিল না। প্রকল্পটি ২০২৩ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল।
এ প্রকল্পের টাকা সাবেক অর্থমন্ত্রী দিয়ে গেছেন বলে জানান তিনি।
এর মধ্যে অনেক ভবন হয়ে যাওয়ার কথা ছিল জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বিলম্ব হওয়ার বিষয়টি খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেছে, বিমানবন্দরের কিছু জমি দখল হয়েছিল। পরে সেটি উদ্ধার হয়। কিছু ডিজাইনের পরিবর্তন হয়েছে। ডিজাইন সব সময়ই কিছু হেরফের হয়। এ জন্য কিছু ডিলে (দেরি) হচ্ছে। আদার ওয়াইজ এটি ডিলে হওয়া উচিত না। চাইনিজ প্রতিষ্ঠানগুলো খুবই স্মার্ট। সব কাজই তারা তাড়াতাড়ি করে। তবে এখানে কেন বিলম্ব করছে?”
নতুন টার্মিনালের উন্নয়ন কাজ নির্দিষ্ট সময়ের [২০২৩ সাল] মধ্যেই শেষ করার ব্যাপারে আশাবাদ জানিয়েছেন মন্ত্রী।
তিনি বলেন, “চাইনিজরা চাইলেই পারবে। তারা খুবই কর্মঠ। চীনে দেখা গেছে, আগের দিন যেখানে কিছুই ছিল না, পরদিন সেখানে শহর বানিয়ে ফেলেছে।”
২০২০ সালের অক্টোবরে কাজ শুরু হওয়া প্রকল্পটি ২০২৩ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল; কিন্তু ২৬ মাসেও তেমন অগ্রগতি হয়নি।
প্রকল্প কাজ পরিদর্শনের সময় সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান, ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পরিচালক মো. হাফিজ আহমদ, প্রকল্প পরিচালক শাহ জুলফিকার হায়দার, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শফিউল আলম চৌধুরী, সিলেট জেলা ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. শফিকুর রহমান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুর মোমেন সিলেট এয়ারপোর্ট এলাকার একটি অভিজাত হোটেলে কর অঞ্চল সিলেট আয়োজিত সেরা করদাতা সম্মাননা পুরস্কার অনুষ্ঠানে অংশ নেন।