Published : 05 Feb 2025, 04:33 PM
পাবনার সুজানগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল ওহাবকে পুলিশের গাড়ি থেকে ছিনিয়ে নেওয়ার তিনদিন পর তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার সকাল ৭টার দিকে উপজেলার মথুরাপুর গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলেন সুজানগর সার্কেলের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম আজাদ জানান।
পুলিশ জানায়, ২ ফেব্রুয়ারি বিকেলে আব্দুল ওহাব নামাজ শেষে বের হলে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় করা মামলার আসামি তিনি।
গ্রেপ্তারের পর পুলিশের একটি দল তাকে গাড়িতে ওঠায়। এ সময় উপজেলার মথুরাপুর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে গাড়িটি ঘিরে ধরেন বেশ কয়েকজন লোকজন।
তারা পুলিশকে আব্দুল ওহাবকে ছেড়ে দিতে বলেন। কিন্তু তাতে পুলিশ রাজি না হলে কয়েকশ লোক জড়ো হয়ে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে তাকে গাড়ি থেকে জোর করে ছিনিয়ে নেয়। এ সময় ধস্তাধস্তিতে আট পুলিশ সদস্য আহত হন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল কালাম বলেন, এ ঘটনায় ওই দিন রাতে সুজানগর থানার এসআই মো. আজাহার আলী বাদী হয়ে ওহাবকে প্রধান আসামি করে একটি মামলা করেন। এতে ওহাবসহ ৬৪ জনের নাম উল্লেখ ও কয়েকশ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়।
তিনি বলেন, এ ঘটনায় ওইদিন রাতেই যৌথবাহিনীর অভিযানে ১৬ জনকে আটক করলেও জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এক নারীসহ ১১ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
আবুল কালাম আরও বলেন, ছিনিয়ে নেওয়ার পর থেকেই পুলিশ ও যৌথবাহিনী এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলমান রেখেছিল। এর অংশ হিসেবে সরাসরি পুলিশ সুপার মোরতোজা আলী খানের নেতৃত্বে ওহাবসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
আসামিরা এখন পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন বলে জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা ।
আরও পড়ুন:
পাবনায় পুলিশের গাড়ি থেকে আওয়ামী লীগ নেতাকে ছিনিয়ে নিল কর্মীরা