Published : 26 Nov 2024, 12:30 AM
বরিশালের ইনস্টিটিউট অব হেলথ টেকনোলজি-আইএইচটির জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মারধরের ঘটনায় একজনের ছাত্রত্ব স্থগিতসহ ১০ শিক্ষার্থীকে শাস্তি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
শাস্তি পাওয়াদের মধ্যে প্রতিষ্ঠানের ছাত্রাবাস থেকে আট শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ও একজনকে সতর্ক করা করা হয়েছে।
সোমবার তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন আইএইচটির অধ্যক্ষ ডা. মানষ কৃষ্ণ কুণ্ডু।
ছাত্রত্ব স্থগিত হওয়া মো. সাজ্জাদ হোসেন রেডিওগ্রাফি অনুষদের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী।
ছাত্রাবাস থেকে বহিষ্কৃতরা হলেন- ল্যাবরেটরি অনুষদের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী নাবিল মোস্তফা, ডেন্টাল অনুষদের তৃতীয় বর্ষের জোনায়েদ আলম অরিদ ও সাব্বির আহম্মেদ, ফার্মেসি অনুষদের তৃতীয় বর্ষের মো. মুকিম আলম, দ্বিতীয় বর্ষের মো. রাইসুল ইসলাম, থেরাপি অনুষদের তৃতীয় বর্ষের সাহিবুল ইসলাম উজ্জ্বল, দ্বিতীয় বর্ষের মো. বেল্লাল (হৃদয়) এবং রেডিওগ্রাফি অনুষদের তৃতীয় বর্ষের মো. ফয়সাল আলম সুজা।
এ ছাড়া সতর্ক করা শিক্ষার্থী মহিউদ্দিন ইভান ফিজিওথেরাপি অনুষদের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র।
আইএইচটির অধ্যক্ষ মানষ কৃষ্ণ কুণ্ডু বলেন, ১০ নভেম্বর আইএইচটির ছাত্রাবাসে সংঘর্ষের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রতিষ্ঠানের নোটিস বোর্ডে সাটিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন মাদক নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি আছেন। এ ছাড়া আট শিক্ষার্থীকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ছাত্রাবাস ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আরেক শিক্ষার্থী ইভানকে সতর্ক করা হয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেলে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে।
মারধরের শিকার শিক্ষার্থী সোহেল জানান, আইএইচটির শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছে। এ নিয়ে ভুল বুঝে শাস্তি পাওয়া শিক্ষার্থীরা নয়জনকে দুই দফায় মারধর করেন। মারধরের শিকার সবাই জখম হয়েছে। জড়িতদের আরও কঠোর শাস্তি হওয়া উচিত ছিল।