ঢাকা-কক্সবাজার পথে পাঁচ দিনে ৫ ‘বিশেষ ট্রেন’

কক্সবাজার-চট্টগ্রামের যাত্রীদের জন্য একটি কমিউটার ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে; যদিও ইঞ্জিন সংকটের কারণে সেটি পিছিয়ে যাচ্ছে বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

কক্সবাজার প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 18 Feb 2024, 05:06 PM
Updated : 18 Feb 2024, 05:06 PM

ফেব্রুয়ারি ও মার্চের সরকারি ছুটির মধ্যে পর্যটকদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ঢাকা-কক্সবাজার পথে পাঁচদিনের জন্য পাঁচটি বিশেষ ট্রেন চালুর উদ্যোগ নিয়েছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

যাত্রীদের টিকেটের চাহিদা ও পর্যটন মৌসুমের জন্য ‘বিশেষ ট্রেন’ চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী জানান।

২০, ২৮, ২৯ ফেব্রুয়ারি এবং ৬ ও ৭ মার্চ ঢাকা ও কক্সবাজারের মধ্যে চলাচল করবে।

স্টেশন মাস্টার বলেন, “২০ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টায় ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে কক্সবাজারের উদ্দেশে যাত্রা করবে বিশেষ ট্রেনের প্রথমটি। পরের দিন ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টায় কক্সবাজার আইকনিক রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছবে।

২৯ ফেব্রুয়ারি এবং ৭ মার্চও বিশেষ ট্রেনটি চলবে জানিয়ে গোলাম রব্বানী বলেন, “ওই দিনগুলোতে ট্রেনটি রাত ১১টায় ঢাকা থেকে ছাড়বে এবং কক্সবাজার পৌঁছবে পরের দিন সকাল ৮টায়।”

একইভাবে ট্রেনটি ২৮ ফেব্রুয়ারি ও ৬ মার্চ কক্সবাজার থেকে ছাড়বে এবং ঢাকায় পৌঁছবে ভোর ৪টায়।

এ ছাড়া বিশেষ আরেকটি ট্রেন ২১ ফেব্রুয়ারি বিকাল ৪টায় কক্সবাজার থেকে ছাড়বে এবং চট্টগ্রাম পৌঁছাবে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায়।

স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী জানান, এই ট্রেনটিতে ১৪টি কোচ রয়েছে। এর মধ্যে ৪৫০টি শোভন চেয়ার এবং ২২০টি এসি চেয়ার রয়েছে। আর টিকেটের মূল্য রাখা হবে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ও ‘পর্যটক এক্সপ্রেসে’র সমমূল্যের।

‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ও ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ ট্রেনে ঢাকা-কক্সবাজার এসি (স্নিগ্ধা) ভাড়া এক হাজার ৩২৫ টাকা এবং নন-এসি (শোভন চেয়ার) ভাড়া ৬৯৫ টাকা। এ ট্রেনে চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত ভাড়া (এসি) ৪৭০ টাকা এবং (নন-এসি) ২৫০ টাকা।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বছরের ১১ নভেম্বর নবনির্মিত দোহাজারী-কক্সবাজার রেললাইন উদ্বোধন করেন। ১ ডিসেম্বর থেকে বিরতিহীন 'কক্সবাজার এক্সপ্রেস' চলাচলের মধ্যে দিয়ে এ পথে বাণিজ্যিকভাবে যাত্রী পরিবহন শুরু করে।

পরে ১০ জানুয়ারি এ পথে দ্বিতীয় ননস্টপ আন্তঃনগর ট্রেন 'পর্যটক এক্সপ্রেস' চালু হয়। সেই থেকে ট্রেন দুটি যাত্রী পরিবহন করে আসছে।

এদিকে, এই পথে কক্সবাজার-চট্টগ্রামের যাত্রীদের জন্য একটি কমিউটার ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যদিও ইঞ্জিন সংকটের কারণে এটি পিছিয়েছে বলে জানান মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী।